Missing tach

Missing tach অজানা অচেনা কে জানানো হবে আমাদের কাজ।?

Darun......ebar ki bolbe bongobashi
20/10/2021

Darun......ebar ki bolbe bongobashi

  কুমিল্লার ঘটনা নিয়ে কথাগুলো না বললেই নয়।তাছাড়া একজন সনাতনী হিসেবে কথাগুলো অবশ্যই বলা উচিত।প্রথমত সরকারি হিসেবে হিন্...
19/10/2021

কুমিল্লার ঘটনা নিয়ে কথাগুলো না বললেই নয়।
তাছাড়া একজন সনাতনী হিসেবে কথাগুলো অবশ্যই বলা উচিত।

প্রথমত সরকারি হিসেবে হিন্দুরা ৭.৫%, এদেশের সংখ্যাগুরুদের ধর্মীয় অনুভূতি সম্পর্কে আমাদের সবার‌ই ভালো ধারনা আছে।
তাই কোরান শরীফ নিয়ে অবমাননা মূলক কিছু করলে ফলাফল কী রকম হতে পারে স্বাভাবিকভাবেই সবার‌ই জানা। তাই অবশ্যই ৭.৫% হিন্দুরা কখনোই ৯০%+ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার সাহস পাবে না।
দ্বিতীয়ত সনাতনীদের দূর্গাপূজার(অকাল বোধন) শুরু শ্রীরাম চন্দ্রের মাধ্যমে।যেটার বয়সকাল সহস্র হাজার বছর আগে। কোরান শরীফের সাথে আমাদের পূজার কোনো সম্পর্ক‌ই নেই।আর পবিত্র কোরান শরীফ মুসলিমদের পবিত্র গ্রন্থ/শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ।আমাদের পবিত্র/শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ বেদে/গীতা।তবে অন্যান্য ধর্মের গ্রন্থের মতো কোরান শরীফকে ও সম্মান করি।এখন কথা হচ্ছে এ গ্রন্থ যেহেতু আমার পূজার কোনো আনুষ‌ঙ্গিক গ্রন্থ না তাহলে মন্দিরে নিয়ে আসার কোনো যুক্তিইতো নেই।
তৃতীয়ত যেখানে গ্রন্থটি দেখা যাচ্ছে হনুমান বিগ্রহের পায়ের উপর (রানের উপর)।বিগ্রহের স্ট্রাকচার অনুযায়ী এখানে কোনো ব‌ই পুস্তক বা গ্রন্থ থাকার কথা না।কোনোদিকে দিয়েই ম্যাচিং হয় না।যদি এরকম কিছু থাকতো তাহলে মাটির তৈরি থাকতো। অবশ্যই মুদ্রিত কপি থাকতো না।আমরা হিন্দুরা বিদ্যার দেবী স্বরসতীর পূজা করি।বিদ্যাকে আমরা মাথায় তুলে রাখি।কখনো যদি কলম বা ব‌ই নিচে পরে যায়,বা পায়ে লাগে আমরা সাথে সাথেই কপালে ঠেকিয়ে প্রণাম করি।এ যুক্তিতে তাহলে কোরান শরীফ বা অন্য যে কোনো গ্রন্থ বা ব‌ইপুস্তক আমাদের কাছে পবিত্র। অবশ্যই বিদ্যার জায়গা পায়ে না।বিদ্যা আমাদের কাছে পূজনীয়।

চতুর্থত, যে পিক ভাইরাল হ‌ইছে সেখানে হনুমানের প্রতিমাটা মূল দূর্গা মন্ডপ থেকে অনেক দূরে।সেখানে সবাই যেতে পারে।তাই যে কেউই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অশান্তি সৃষ্টি করতে রাখাটা অস্বাভাবিক কিছু না।একটা পূজায় ৫/১০ লাখ খরচ করে।তাহলে পূজা ম্যানেজম্যান্ট কমিটি অবশ্য‌ই জেনে বুঝে এরকম কাজ করবে না।এক কথায় নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনবে না।

পঞ্চমত,ষষ্ঠী থেকেই পূজো মন্ডপের সবকিছু রেডি থাকে।প্রশাসন তদারকিতে থাকে।আমরা রাতে বাসায় এসে ঘুমাই।আর আমাদের মন্দিরের নিরাপত্তায় পুলিশ সহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা জেগে থাকেন। দায়িত্বরত পুলিশ ভাইয়েরা বেশির ভাগ‌ই মুসলিম।
স্বাভাবিকভাবেই এ বিষয়টা কারো না কারো নজরে আসতো।
আজকে পূজার তৃতীয় দিনে এ ঘটনা ঘটতো না।

আমরা চাই থলের বিড়াল বের হয়ে আসুক।ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাই বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা।আর উগ্রবাদীদের জন্য ঘৃণা।

ঘর থেকে বের হলেই হিন্দু মুসলিম একসাথে ওঠাবসা, চলাফেরা। একসাথে আছি।শান্তিতে থাকতে চাই।
দেশটা যতটা মুসলিমদের,ঠিক ততটাই হিন্দুদের,ততটাই বৌদ্ধ,খ্রিষ্টানদের। সংবিধান‌ই এ অধিকার দিয়েছে।
যারা এটা মানতে পারে না।তাদের অভিসন্ধি ভিন্ন।

বাংলাদেশের আরএকটা হিন্দু মরলে সবাই জেগে ওঠেন সবাই গুরে দেখেন😡😡😡 অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে কথা বলেন রেখে দারান🤬🤬🤬🤬








[10/19, 3:53 PM] সুসান্তপাল: বাঙলাদেশে হিন্দুদের উপর হওয়া চরম নির্যাতনের সময়  যারা চুপ করে থাকছে তাদের কথা বাকিরা লিখে য...
19/10/2021

[10/19, 3:53 PM] সুসান্তপাল: বাঙলাদেশে হিন্দুদের উপর হওয়া চরম নির্যাতনের সময় যারা চুপ করে থাকছে তাদের কথা বাকিরা লিখে যাক তাদের টাইমলাইনে। এগুলোই ইতিহাসের দলিল হয়ে থাকবে। আজ যেমন আমরা বিভিন্ন বই, ইতিহাসের নথিপত্র ঘেঁটে পুরোনো দিনে হিন্দুদের উপর ঘটে যাওয়া নারকীয় অত্যাচারের কাহিনী সবার সামনে তুলে ধরছি তেমনই 'আজি হতে শতবর্ষ পরে' কেউ হয়তো এই ইন্টারনেটের ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে হিন্দু দের উপর হওয়া বর্বর ইসলামিক আক্রমণের ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরবে। তারা তাদের প্রজন্মকে জানাতে পারবে এইসময় কারা চুপ করে থেকে স্বজাতির সাথে গদ্দারি করেছিল। ঠিক যেমন আমরা ইতিহাসের বই থেকে এখন জানতে পারি নোয়াখালীতে হিন্দু নিধনের প্রায় একমাস পরে গান্ধী ওখানে তার প্রিয় ছাগলকে সাথে নিয়ে গেছিল 'সম্প্রীতির বার্তা' দিতে।
পোস্টে কটা লাইক পড়লো বা কটা শেয়ার হল সেই নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে শুধুই লিখে যাও সবাই। এগুলোই আগামী প্রজন্মকে জানাবে ঠিক কাদেরকে ঘেন্না করতে হবে। শুধুমাত্র আক্রমণ কারী নয়, চুপ করে থেকে যারা তাদের নীরবে প্রশ্রয় দিচ্ছে তাদের কথা আগামী প্রজন্ম জানুক। ওদের ঘেন্না করুক। ওদের মুখে থুতু ফেলুক।
আগামী প্রজন্ম জানুক কারা পেট্রো-ডলারের লোভে নিজেদের 'ঈমান' বেচে দিয়েছিল।
তাই কলম চলতে থাকুক। হ্যাশট্যাগে আর রাস্তায় প্রতিবাদের ঝড় উঠুক। সেই প্রতিবাদ লিপিবদ্ধ থাক আমাদের ভার্চুয়াল জগতের দেওয়ালে। নাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের নপুংসক বলবে।

ইসলামিক মৌলবাদের টুঁটি টিপে ধরার এর থেকে ভালো সুযোগ আর কোনোদিন আসবে না। এই সুযোগ একেবারেই হাতছাড়া করা যাবে না।

কুরুক্ষেত্রের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার।














[10/19, 6:49 PM] Swarup: ভারতিয় এস্বাসেডর কে পিটুনি দিন, ঘেরাও করেন
প্রধানমন্ত্রী ও রাস্ট্রপতির সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন
রাস্তায় না নেমে পয়েন্টে চলে যান কাজ হবে। এদের সাথে দেখা করেন
এম্বাসেডর একটা ফালটু মাল, জীহাদীদের পক্ষে কথা বলে।

'গাজা সিরিয়া প্যালেস্তাইন,কার কথা তুমি বলোনি?'শুধু, নোয়াখালীতেই স্তব্ধ থেকেছে নিরোধাবৃত লেখনী'......তোমরা চুপ থাকতে পারো...
19/10/2021

'গাজা সিরিয়া প্যালেস্তাইন,কার কথা তুমি বলোনি?
'শুধু, নোয়াখালীতেই স্তব্ধ থেকেছে নিরোধাবৃত লেখনী'......

তোমরা চুপ থাকতে পারো৷ আমরা নয়৷ "সব ইয়াদ রাখা যায়েগা...৷"🙂🙂

১৯৪৬ সালের অক্টোবর মাসের ১০ তারিখ। লক্ষ্মী পূজার দিন। সমগ্র বাংলার হি$ ন্দুরা ছিলেন মাতা লক্ষীর আরাধনায় রত, চারিদিক চন্দ্রালোকে উদ্ভাসিত - অবিভক্ত বঙ্গ র দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত নোয়াখালী জেলার সংখ্যালঘু হি$ন্দু অধিবাসীরাও ছিলেন পুজার্চনায় ব্যস্ত।

অকস্মাৎ রাত্রি র নিস্তব্ধতা চিরে আজ*রাইলপ্রায় ধেয়ে এলো কা*শেম র ফৌজ, মু*লিম লীগ র নোয়াখালী অঞ্চলের নেতা কা*শেম আ*লী র আদেশে। সঙ্গত দিল গো*লাম সারওয়ার র নিজস্ব বাহিনী। ওদের উদ্দেশ্য ছিলো হি$ন্দু বিনাশ। পূর্বে কয়েকমাস ধরে কলকাতায় যে হত্যালীলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৬ ই আগস্ট, ১৯৪৬ - যা শুরু হয়েছিল মু*লমান র নৃশংসতম আক্রমণে কিন্তু শেষ হয়েছিল হি$ন্দুদের ভয়াল এবং যোগ্য প্রত্যুত্তরে - তার প্রতিশোধ র বন্য আদিমতায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ই*লামিক নেতৃত্ব। মুহূর্ত র মধ্যে নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, চৌমুহানী, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষীপুর, ছাগলনাইয়া, স্বন্দীপ অঞ্চলগুলিতে নেমে আসে মধ্যযুগীয় বর্বরতা। পার্শ্ববর্তী টিপেরা জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর , লক্ষম ও চৌদ্দগ্রাম অঞ্চলগুলো হয়ে ঔঠে ভীষণভাবে উপদ্রুত। পরিকল্পনামাফিক H%indu racial ext%ermination র পরিকল্পনা execute করা হয়, যার তুলনা একমাত্র নাৎসি জার্মানীতে ইহুদিদের উপর হওয়া জাতিবিদ্বেষী এক্সোডাসের সাথে করা চলে৷ উত্তপ্ত সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতিতে গুজব রটানো হয় যে, লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার করপাড়ার জমিদার রাজেন্দ্রলাল চৌধুরীর বাড়িতে ভারত সেবাশ্রম সংঘের এক সন্ন্যাসী এসে উঠেছেন, সাধু ত্রিয়াম্বাকানন্দ। তিনি নাকি ঘোষণা করেছেন, পূজার জন্য ছাগবলির বদলে এবার তিনি মু*লমানের রক্ত দিয়ে দেবীকে প্রসন্ন করবেন। করপাড়া থেকে সামান্য দূরে শ্যামপুর দা*য়রা শরীফ৷ গো*লাম স*রোওয়ার হু*সেইনি এই পীর বংশের উত্তরপুরুষ৷ হঠাৎ বিশেষ সম্প্রদায় আগুনের ফুলকির মত চারিদিকে গুজব ছড়িয়ে দেয় যে,কা ফে র$ রা এই দায়রা শরিফ আক্রমন করেছে। আশে পাশের এলাকার মু*লিমরা দলে দলে দা*য়ারা শরিফে জড় হতে শুরু করে। গোলাম সরোয়ার হুসেনি সমবেত মু*লিমদেরকে সাহাপুর বাজার আক্রমন করতে নির্দেশ দেয়। মু*লিম লীগ নেতা কা*শেমও তার নিজস্ব বাহিনী নিয়ে সাহাপুর বাজারে পোঁছায় যাদেরকে কা*শেমের ফৌজ বলা হত। গুণ্ডারা সুরেন্দ্রনাথ বসুর ‘জামিনদার অফিস' আক্রমন করে।সামান্য প্রতিরোধের পরই সুরেন্দ্রনাথ বসু ধারাল অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক ভাবে আহত হন। মু*লিম সন্ত্রাসীরা হাত-পা বেধে তাকে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। অক্টোবর মাসের ১১ তারিখে গোলাম স*রোয়ারের ব্যক্তিগত বাহিনী যা ‘মি*ঞার ফৌজ’ নামে পরিচিত ছিল নোয়াখালী বার এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি রাজেন্দ্রলাল রায়চৌধুরীর বসতবাড়িতে আক্রমন করে। রাজেন্দ্রলাল পুরোটা দিন তাঁর বাড়ির ছাদ থেকে রাইফেল নিয়ে আক্রমন প্রতিহত করেন। পরের দিন আবার মু*লিম দাঙ্গাকারীরা সংগঠিত হয়ে রাজেন্দ্রলালের বাড়িতে আক্রমণ করে। তারা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। রাজেন্দ্রলাল, চিন্তাচরন এবং সতীশ সহ পরিবারের ২২ জন সদস্যকে হ*ত্যা করা হয়। রাজেন্দলাল রায় চৌধুরীর শরীর থেকে মুন্ডু চ্ছিন্ন করে ফেলা হয় ও সেই ছিন্ন মুন্ডু একটি থালায় করে গো*লাম স*রোয়ার হু*সেনির কাছে 'সওগাত' হিসেবে নিয়ে আসে তার বাহিনী। রাজেন্দ্রলালের বাড়ি থেকে তাঁর দুই মেয়েকে তুলে নিয়ে আসে হু*সেনির বাহিনী, যাদেরকে হু*সেনি তার দুই বিশ্বস্ত অনুচরের হাতে তুলে দেয়। তিন মাস পরে নোয়াখালী পরিদর্শনের সময় মহাত্মা গান্ধী লুটপাট আর ধ্বংসকৃত রাজেন্দ্রলালের বাড়িতে যান। ১৯৪৭ সালের ১১ জানুয়ারি রাজেন্দ্রলালের গলিত দেহ আজিমপুরের জলা থেকে তুলে লামচর হাই স্কুলে গান্ধীজীর প্রার্থনা সভাতে নিয়ে আসা হয়।

রামগঞ্জ পুলিশের আওতায় সোমপাড়া বাজারের কাছে গোপাইরবাগে দাস পরিবারের উপর কা*শেমের নিজস্ব বাহিনী আক্রমণ করে। দাস পরিবার ছিল কা*শেমের প্রতিবেশী। আক্রমণকারী বাহিনী দাস পরিবারের ১৯ জনকে নির্মম ভাবে হ*ত্যা করে। নোয়াখোলা গ্রামের চৌধুরী পরিবারের উপর হামলা চালায় বর্বর দাঙ্গাকারীরা। হামলাকারীরা উন্মত্তের মত হ*ত্যার তাণ্ডব চালায়, লুটপাট করে এবং আগুন লাগিয়ে দেয়। ওই বাড়ির মোট ৮ জন পুরুষদের সবাইকে হ*ত্যা করা হয়। আরেকটি দল রামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের গোবিন্দপুরের যশোদা পাল ও ভরত ভূঁইয়ার বাড়িতে আক্রমণ করে।তারা পরিবারের ১৬ জনকে দড়ি দিয়ে বেধে জীবন্ত আগুন লাগিয়ে নির্মম ভাবে হ*ত্যা করে। আমিশাপাড়া এবং সাতঘরিয়ার মধ্যবর্তী এলাকার ভৌমিক এবং পাল পরিবারের সবাইকে আগুনে পু*ড়িয়ে ছাই বানানো হয়। এই দুই পরিবারের ১৯ জনকে হjত্যা করা হয়। ১৩ অক্টোবর দুপুর ১২টার সময় মারাত্মক অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত ২০০-২৫০ জনের একটি দল চাঙ্গিরগাঁও এর হি$ন্দুদের উপর হামলে পড়ে। তারা হি$ন্দুদের ১,৫০০ মণ ধান পুড়িয়ে দেয়। এলাকার সমস্ত মন্দির গুড়িয়ে দেয়া হয়। সকল হি$ন্দু মহিলাদের শাঁখা ভেঙ্গে ফেলে, সিঁথির সিঁদুর মুছে দেয় আর হি$ন্দু পুরুষদের না মা জ পড়তে বাধ্য করে। চাঁদপুর থেকে যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস (এম.এল.এ. ) অক্টোবরের ১৪ তারিখে যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডলকে চিঠিতে লেখেন,নোয়াখালীর রামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় হাজার হাজার নিম্ন বর্ণের হি$ন্দুদের উপর নির্যাতন করে মু*লিমরা। তাদের বাড়িঘর লুটপাট করে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় বসত ভিটা আর তাদেরকে জোরপূর্বক ই*লামে ধর্মান্তরকরনের মত ঘৃণ্য কাজ করে তারা। সন্দীপে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী লালমোহন সেন হি$ন্দুদের রক্ষার চেষ্টা কালে তাঁকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। শ্রীমতি লীলা রায়, প্রখ্যাতা স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজসেবিকা, গান্ধীজির দাঙ্গা-বিধ্বস্ত নোয়াখালীতে পদার্পণ র পূর্বেই, একক প্রচেষ্টায় relief camp খোলেন ও ১৩০০ র অধিক অপহৃত হি$ন্দু নারীকে উদ্ধার করেন। প্রসঙ্গত, গান্ধীজির যাত্রায় অন্তর্ভুক্ত সাংবাদিকরা দেখেন আক্রান্ত ও ধর্মান্তরিত হি$ন্দুরা মনুষ্যেতর অবস্থায় বসবাস করছেন। আনুমানিক ৫, ০০০ হি$ন্দু খু*ন হন, নোয়াখালি গণহ*ত্যা র দরুণ ৫০, ০০০-৭৫, ০০০ হিন্দু আশ্রয় নেন পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা, চাঁদপুর, আগরতলা প্রমুখ স্থানে অবস্থিত রিলিফ ক্যাম্প গুলিতে। এরা বাঙাল রিফিউজি হিসেবে পরিচিতি পান৷ পুকুর, জমি, ইলিশ, আমবাগান, জমিদারী ইত্যাদির কথা বলে ডিনায়াল মোডে গেলেও ইতিহাস বদলায় না৷

বঙ্গীয় আইন সভার নোয়াখালী থেকে একমাত্র হি$ন্দু প্রতিনিধি হারান চন্দ্র ঘোষ চৌধুরী এই দাঙ্গাকে হিন্দুদের প্রতি মু*লিমদের প্রচণ্ড আক্রোশের প্রকাশ বলে বর্ণনা করেন। বাংলার তৎকালীন অর্থ মন্ত্রী ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নোয়াখালী দাঙ্গাকে একটি সাধারণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টার বিরোধীতা করেন। তিনি এ ঘটনাকে সংখ্যালঘু হি$ন্দু সম্প্রদায়ের উপর সংখ্যাগুরু মু*লিমদের সুপরিকল্পিত আক্রমণ বলে ব্যাখা করেন৷ ১৮ ই অক্টোবর ড. বিধান চন্দ্র রায় তাকে হি*ন্দু গণহত্যা বিশেষত কাতারে কাতারে হি$ন্দুনারী ধ*র্ষনের বিষয়ে মুল্যায়ন করতে বলেন৷ ১৯ শে অক্টোবর মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালী যাত্রার সিদ্ধান্ত নেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আশেপাশের এলাকা গুলো ঘুরে দেখেন। নোয়াখালী যাত্রার আগে সোদপুরের অভয়াশ্রমে ড. অমিয় চক্রবর্তী ওনার সাক্ষাৎকার নিয়ে বিবৃতি দিয়ে বলেন, "এই মুহুর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অপহৃত এবং ধর্মান্তরিত হি$ন্দু মেয়েদের উদ্ধার করা৷ কারণ বলপুর্বক ধর্মান্তকরণের পর মু*লমানরা হি$ন্দু মেয়েদের বোরখা আবদ্ধ করে রাখবে৷ আর আইন রক্ষাকারী বাহিনী তাদের শনাক্ত করতে পারবে না৷"
কংগ্রেস সভাপতি আচার্য্য কৃপালনির স্ত্রী সুচেতা কৃপালনি নোয়াখালিতে নারী উদ্ধার করতে যান। দাঙ্গার মুলচক্রী গো*লাম সরো*ওয়ার ফতোয়া দেয়,যে সুচেতাকে ধ*র্ষণ করতে পারবে,তাকে গা*জী খেতাব দেওয়া হবে৷ সুচেতা কৃপালনী উপদ্রুত অঞ্চল পরিদর্শনের সময় গলায় পটাশিয়াম সায়ানাইড এম্পুল ঝুলিয়ে রাখতেন৷ নোয়াখালীতে গান্ধীজীর চলার পথে বিশেষ সম্প্রদায় আবর্জনা ফেলে রাখতো, তাঁর সভা বয়কট করা হতো৷ অবশেষে গান্ধীজী ২ রা মার্চ, ১৯৪৭ শান্তি মিশন অসমাপ্ত রেখেই নোয়াখালী ত্যাগ করে বিহারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন বাংলার মু*লিম লিগ নেতাদের অনুরোধে৷ মাসখানেক পর এক কংগ্রেস কর্মী ওনাকে চিঠিতে জানান,নোয়াখালীতে হি$ন্দুদের জ্যান্ত আগুনে পুড়ি*য়ে মারা হচ্ছে৷
গান্ধীজী অত্যন্ত দুঃখের(😊) সাথে বলেন,'Quit noakhali or die', যিনি পূর্বে বলেছিলেন,"যদি ভারতের অর্ধেক মানুষ পক্ষাঘাতগ্রস্ত থাকে তবে,ভারত কোনদিন মুক্তির স্বাদ পাবে না৷" তিনি কোন এক দুর্বোধ্য কারণে দেশবাসীকে নোয়াখালীর হি$ন্দুদের হিতসাধনে ঝাঁপিয়ে পড়তে বললেন না৷ এতে, সবাই বিস্মিত হয়৷

হি$ন্দুদের আত্মবিশ্বাস চিরতরে নষ্ট হয়ে যায় এবং তাদের পক্ষে গ্রামে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব ছিলো না৷ ইত্যবসরে, কংগ্রেস নেতৃত্ব ভারত বিভাগ মেনে নেন যার ফলে শান্তি মিশন এবং আক্রান্তদের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম পরিত্যক্ত হয়। পাঞ্জাবের উদবাস্তুরা যতটা দিল্লির সহায়তা পেয়েছে, ততটা পায়নি বাংলার উদবাস্তুরা৷ শেয়ালদা, কুপার্স, বরানগর, কাশীপুর রিফিউজি ক্যাম্পই এদের শিশুশয্যা, যৌবনের উপবন, বার্ধক্যের বারাণসী,ডোলের লাইনে ঠেলাঠেলি, খুদ খেয়ে বেঁচে থাকা এবং পরে বামেদের কৃপায় (জ্যোতিবাবু নিজেও বিক্রমপুরের পোলা) দন্ডকারণ্য থেকে মরিচঝাঁপিতে এসে বাঘের খাদ্য হয়ে যাওয়া, এই তো একটা জাতির ইতিহাস৷ নোয়াখালীর সারভাইভার পঞ্চাশের দশকে এপারে আসা আমার পরিবার পরিজনেরা ততটা দুর্ভাগা ছিলেন না৷ মান খুঁইয়েও অন্তত জান বাঁচিয়ে আসতে পেরেছিলেন৷ সংখ্যাগুরু মরুবর্বরের অঞ্চলে এর চেয়ে বেশী দাবী করা যে কোন সংখ্যালঘুর পক্ষেই অন্যায্য৷ প্রাণে মা*রেনি এই কতো না,আবার.......

এই লেলিয়ে দেয়া নৃশংসতাকে বর্ণনা করা হয়, ‘( the organised fury of the Muzlim mob)’ । গান্ধীবাদী অশোক গুপ্ত গান্ধীর সাথে গনহত্যা সংগঠনের এলাকা গুলো পরিদর্শন করে বলে: 'কমপক্ষে ২,০০০ হি$ন্দুকে জোরপূর্বক মুসলমান করা হয়েছে। তিনি অন্তত ছয় জনকে দেখেছেন যাদের জোর করে বিয়ে করেছে মু*লিমরা এবং যাদের একজন খু$ন হয়েছে পাশবিক ভাবে।'

জর্জ সিমসন নোয়াখালী রায়টের যে বিবরণ দিয়েছেন তার বলা হয়েছে- "জোর করিয়া ব্যপক ভাবে দলে দলে হি$ন্দুদের ই*লাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করিবার বিবরণ প্রত্যেক গ্রামেই পাওয়া গিয়েছে। অনেক স্থানে পুরুষেরা আপত্তি করিলে তাহাদের স্ত্রীদের আটক করিয়া তাহাদেরকে ই*লাম ধর্ম গ্রহন করিতে বাধ্য করা হইয়াছে।" (রমেশচন্দ্র মজুমদার, বাংলাদেশের ইতিহাস, ৩য় খন্ড)

তংকালীন কংগ্রেস সভাপতি আচার্য্য জে বি কৃপালনী সে সময় নোয়াখালী ঘুরে যা দেখেছিলেন তা তিনি প্রকাশ করেছেন এই ভাষায়, "নোয়াখালী এবং ত্রিপুরার জন উন্মত্ততার সব কিছুই ছিল প্রশিক্ষিত নেতৃত্বের অধীনে ব্যপকভাবে পরিকল্পিত। রাস্তাঘাট কেটে দেওয়া হয়েছিল, যত্র তত্র বন্দুকের ব্যবহার হয়েছিল এবং প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত গুণ্ডাদের বাইরে থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। হাজার হাজার হি$ন্দু নারীকে অপহরণ করা হয়েছে অথবা জোর পূর্বক বি বাহ করা হয়েছে। তাদের পূজার স্থানকে অপবিত্র করা হয়েছে। এমনকি শিশুদের প্রতিও কোন রকম করুণা দেখানো হয়নি। (অমৃত বাজার পত্রিকা, ২২/১০/১৯৪৬)

স্টেটসম্যান পত্রিকার জনৈক সাংবাদিক নোয়াখালীর দাঙ্গা বিধ্বস্ত অঞ্চলে রিপোর্ট করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতার সম্মূখীন হয়েছিলেন তা তিনি স্টেটসম্যান পত্রিকায় তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছিলেন এভাবে-
"নোয়াখালীর রামগঞ্জ থানার একটি বাচ্চা মেয়ে আমাকে এই ঘটনাটি বলেছিল।১০ ই অক্টোবর সকালে একদল লোক ঐ মেয়েটির বাড়িতে এসে মু*লীম লীগের তহবিলে পাচ শ টাকা চাদা চায়। চাদা না দিলে বাড়ির সবাইকে খু*ন করা হবে বলে ওরা হমকি দেয়। প্রাণের ভয়ে মেয়েটির বাবা ওদের পাচশ টাকা দেন। এর কিছুক্ষন পর আবার ওরা আসে, সঙ্গে এক বিরাট জনতা। ঐ বাড়ির জনৈক অভিভাক, যিনি আবার পেশায় মোক্তার, ঐ উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে এগিয়ে যান, কিন্তু তিনি কোন কথা উচ্চারণ করবার আগেই তার মাথাটা শরীর থেকে বি*চ্ছিন্ন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপর গুণ্ডারা পরিবারেরে সবচেয়ে বয়স্ক লোকটিকে (মেয়েটির দাদু) খুন করে। এবার মেয়েটির বাবার পালা, মেয়েটির বাবাকে তারাই সদ্য খু*ন হওয়া বাবার মৃতদেহের উপর শুইয়ে দেওয়া হল। তখন মেয়েটির ঠাকুরমা তার ছেলেকে বাচাবার জন্য ছেলের দেহের উপর ঝাপিয়ে পড়েন এবং ওদের কাছে ছেলের প্রাণভিক্ষা চাইতে থাকেন। কিন্তু তাতে ওরা ক্ষুদ্ধ হয়ে ঐ মহিলার মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে এবং তার অচৈতন্য দেয় দূরে ছুড়ে ফেলে দেয়। এবার আবার ওরা মেয়েটির বাবাকে মারতে উদ্যেগী হয়। মেয়েটি ভয়ে এতক্ষণ ঘরের কোণে লুকিয়ে ছিল। বাবার প্রাণ বাচাবার জন্য সে তখন ঘর থেকে বেরিয়ে আসে এবং ঐ ঘাতকের হাতে গহনা ও চারশ টাকা দিয়ে তাকে কাকুতি মিনতি করে আর বাবাকে না মারবার জন্য। ঐ ঘাতক তখন বা হাতে মেয়েটির কাছ থেকে গহনাগুলি গ্রহন করে এবং সঙ্গে সঙ্গেই ডান হাতের দা দিয়ে মেয়েটির বাবার মাথা দেহ থেকে আ*লাদা করে ফেলে।"
(দি স্টেটসম্যান, ২৬/১০/১৯৪৬)

তথ্যসূত্র:-গুগল

দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হচ্ছে,আমাদের জাতি নোয়াখালী জেনোসাইড মনে রাখেনি, একশ্রেণীর উদবাস্তু সন্তান স্টকহোম সিনড্রোমে ভুগে আজ হলোকস্টের ইতিহাসকে অপ্রয়োজনীয় 'হ্যাজ' মনে করে! আমাদের জাতি নব্বইয়ের কাশ্মী1র এক্সোডাসকে মনে করে, প্রোপাগান্ডা, রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র৷ শেয়ার করে কলমের নিউজলিঙ্ক, শেকড়সন্ধানীদের ভাবে নিওকনের দালাল৷

যে জাতি হারায় দেশ, শিখিতে না পারে, তাদের কাবুল থেকে সুমাত্রা অবধি বিস্তীর্ণ যে বসতি ছিলো, তা যে কারাকোরাম থেকে কন্যাকুমারীতে সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে এবং সেখানেও তৈরী হবে শ পাঁচেক 'প্রহিবিটেড জোন','মিনি প1কি স্তা ন', তাতে আর আশ্চর্য্য কি?!

30/08/2021

তোরা যে যা বলিস ভাই আমার অই সিলিন্ডার চাই।

12/08/2021

মজাদার কমেডি।।। veery Funny video

12/08/2021

সুন্দর পাখিদের মতোই ডেকে দেখাল।।।

31/07/2021

আজব ইন্টারেস্টিং কিছু ফ্যাক্ট।।।।

30/07/2021

পৃথিবী যদিও নিজ অক্ষে ঘন্টায় ১০০০ মাইল বেগে ঘোরে, কিন্তু অবিশ্বাস্য গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে চলে, যা প্রায় ঘন্টায় ৬৭০০০ মাইল বেগে।
পৃথিবীতে বছরে প্রায় ১০০০০০০ এরও বেশী ভুমিকম্প হয়ে থাকে। কিন্তু এগুলো খুব ক্ষণস্থায়ী এবং কম কম্পন সম্পন্ন তায় আমরা টের পাই না। তবে রিক্টার স্কেলে কিন্তু এই কম্পন ঠিকই ধরা পরে।
প্রতি সেকেন্ডে পৃথিবীতে প্রায় ১০০ বার বজ্রপাত হয়ে থাকে। এবং গড়ে বজ্রপাতে প্রতি বছর প্রায় ১০০০ লোক মারা যায় ।
ডিএনএ প্রথম আবিস্কৃত হয় ১৮৬৯ সালে। এটি আবিষ্কার করেন সুইস ফ্রেডরিক মিস্কলার।
আমরা জ্বর মাপার জন্য যে থার্মোমিটার ব্যবহার করি সেটি ১৬০৭ সালে প্রথম আবিষ্কার হয়। এটি আবিষ্কার করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী গ্যালিলিও।
১২৫০ সালে রজার বেকন আতশী কাচ আবিস্কার করেন ।
১৮৬৬ সালে আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিস্কার করেন ।
প্রথম নোবেল পুরস্কার উইলহেম রনজেন ১৮৯৫ এ এক্সরে আবিস্কার করে (পদার্থবিদ্যা) পান ।
এযাবৎকালের সবচেয়ে উচুতম গাছটি হল একটি অস্ট্রেলিয়ান ইউক্যালিপটাস গাছ, যার উচ্চতা ৪৩৫ ফুটের মতো ।
ইলেকট্রিক ঈল মাছ প্রায় ৬৫০ ভোল্ট শক দিতে পারে ।
১৯৬২ সালে প্রথম টেলিফোন এবং টিভি সিগন্যাল আদান প্রদানে সক্ষম যোগাযোগ উপগ্রহ টেলস্টার উৎক্ষেপন করা হয় ।
জিরাফ অধিকাংশ সময় ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাত্র ২০ মিনিট ঘুমায় । যদিও কখনও কখনও ২ ঘন্টাও ঘুমায় তবে তা খুবই ব্যতিক্রম ।
সারা শরীর ঘুরে আসতে একটি রক্ত কোষের মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মতো সময় লাগে।
একটা রাবার অনুতে ৬৫,০০০ পরমানু থাকে।
একজন পুরুষ দেহে এক সেকেন্ডে প্রায় ১০০০ কোষ শুক্র তৈরী হয়, প্রায় ৮৬০০০০০০ এক দিনে ।

funny animal video 😄😄😄😄🐒🐒🐒🦧🐶🐆🐺
25/07/2021

funny animal video 😄😄😄😄🐒🐒🐒🦧🐶🐆🐺

Address

713304
Asansol
713304

Telephone

+919547879265

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Missing tach posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Club

Send a message to Missing tach:

Share