10/10/2016
সোমবার, ১০ অক্টোবর ২০১৬
প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি আন্তর্জাতিক ফেসবুকিং প্রবাস অর্থ ও বাণিজ্য খেলাধূলা বিনোদন আইন-আদালত শিক্ষা বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সারাদেশ
Friday, 07 Oct 2016
ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন শেখ হাসিনা
তাজউদ্দীন:
দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, সবার উৎসব- বলে মন্তব্য করেছেন অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোরআন- হাদিসের আলোকে কোন মুসলমান এ কথা বিশ্বাস করলে তিনি আর মুসলমান থাকতে পারেন না। এই ফাসেকের মতো মন্তব্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় শেখ হাসিনার রক্ততো আসলে হিন্দুর রক্ত। আর সে কারণেই শেখ হাসিনা বলেছিলেন, গজে চড়ে মা আসায় ফসল ভাল হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ। আর এবার তিনি বললেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দুধর্মের নয়, সবার উৎসব। নাঊযুবিল্লাহ। তারমানে তিনি বুঝাতে চাইছেন তিনিও এ পূজা পালন করবেন। এবং তার দলও এ পূজা পালন করবে।
তিনি আরও বলেছেন, 'অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি আজ সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।'
অশুভ শক্তি বলতে তিনি মুসলমানদের কথা বুঝিয়েছেন। শেখ হাসিনার মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে। তিনি মুখ দিয়ে যতই মদিনা সনদের আলোকে দেশ পরিচালনার কথা বলুক তিনি যে আসলে মুসলমানই না সেটাই প্রমাণ পেল। মুসলমানদের শক্তি বিনাশই হাসিনার প্রধান পরিকল্পনা। আর এ কারণেই হাসিনা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশের প্রধান বিচারপতি বানিয়েছেন একজন হিন্দু। সচিবালয়ের অধিকাংশ হিন্দু, মন্ত্রণালয়ে হিন্দু। পাঠ্যবইয়ে মুসলমানদের লেখা ও ইসলামি লেখাগুলোকে বাদ দিয়ে হিন্দু লেখক ও হিন্দুধর্মের শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করেছেন। সংবিধান থেকে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বাদ দিয়েছেন। আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাসকে বাতিল করে সেক্যুলারিজম চালু করেছেন। ইসলামিস্টদের একের পর এক হত্যা করছেন। ইসলামের নাম নিশানা মুছে ফেলতে ইসলামিক, দিগন্ত ও পিসটিভি বন্ধ করে দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কোরআন- হাদিস কী বলে সেটা উল্লেখ করার আগে শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবের জন্মবৃত্তান্তটা জেনে নেই-
শেখ মুজিবের জন্মবৃত্তান্ত:
কলকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মি. চন্ডীদাস। তার এক মেয়ে ছিলো যার নাম গৌরিবালা দাস। চন্ডীদাসের সহকারী উকিল মি. অরণ্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডীদাসের কলিকাতাস্থ বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন, এই সুযোগে গৌরিবালার সাথে তার অবৈ্ধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক সময় গৌরিবালা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গৌরিবালা যখন বুঝতে পারেন যে তিনি গর্ভবতী হয়েছেন, তখন তিনি অরণ্য কুমারকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। অরণ্য কুমার এতে রাজী না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডীদাস বিষয়টি জানার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন যার নাম দেওয়া হয় দেবদাস চক্রবর্তী। চন্ডীদাস অরণ্য কুমারকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেবার জন্য চাপ দিতে থাকলেও কিন্তু অরণ্য কিছুতেই রাজী হননা। এরই মধ্যে দেবদাসের বয়স ২ বছরে উন্নীত হয়। চন্ডীদাস হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন এবং ভীষণ অসুস্থতা বোধ করেন। যখন দেবদাসের বয়স ৩ বছর তখন চন্ডীদাসের মহুরী শেখ লুৎফর রহমান গৌরিবালাকে বিয়ে করেন। এতে যেনো কুলের দেখা পান চন্ডীদাস। এরপর গৌরিবালার নাম বদলিয়ে রাখা হয় ছালেহা বেগম এবং তার ছেলে অর্থাৎ দেবদাস চক্রবর্তীর নাম হয় শেখ মুজিবুর রহমান। যার এফিডেবিট নং ১১৮, তারিখ ১০/১১/১৯২৩ ইং। কলকাতা সিভিল কোর্টের সাক্ষীঃ-
১. জনাব আব্দুর রহমান সাফায়াত, কোর্ট দারোগা কলিকাতা, থানা+পোস্ট: ভান্ডারিয়া, সাবেক জেলা বরিশাল। ২.শ্রী অনিল কুমার, কোর্ট দারোগা, সাবেক জেলা বরিশাল।
অর্থাৎ, শেখ হাসিনার পিতা হিন্দু ঘরের সন্তান। আর সে রক্তই ধারণ করছে হাসিনা। আর সে কারণে তিনি ভারতে গিয়ে একবার সিঁদুর পড়েছিলেন। যা কোন মুসলমানের জন্য হারাম। সিঁদুর পড়লে কোন মুসলমান আর মুসলমান থাকতে পারে না।
হিন্দুদের পূজার বিষয়ে ইসলামি শরীয়াহ কী বলে:
কাফের বিধর্মীদের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান উপলক্ষে অভিনন্দন জানানো ইজমা'র ভিত্তিতে হারাম। ইবনুল ক্বাইয়্যিম(রাহিঃ) তাঁর আহকামুল যিম্মাহ গ্রন্থে বলেন, "কুফফারদের যেসব আচার শুধুই তাদের, সেগুলোতে অভিনন্দন জানানো ইজমা'র ভিত্তিতে হারাম। যেমন 'শুভ দুর্গা পুজা,শুভ বড় দিন ' ইত্যাদি বলা। এমনটা বললে সরাসরি কুফর যদি না-ও হয় তবু তা হারাম করা হয়েছে। কারন এর দারা তাদেরকে প্রতিমাকে সিজদা করার জন্য অভিনন্দিত করা হয় বা সমর্থন করা হয়। যা সম্পূর্ণভাবে হারাম হারাম হারাম। যে কোনো ব্যক্তিকে অবাধ্যতা, বিদ'আত বা কুফরের জন্য অভিনন্দন জানায়, সে নিজেকে আল্লাহর ক্রোধে নিপতিত করে।"
কুফফারদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানানো এ জন্য হারাম যে, কেউ শুভেচ্ছা জানালে সে এসব কুফরি আচার অনুষ্ঠানকে মৌখিক স্বীকৃতি দিচ্ছে যদিও নিজে পালন না করে। কিন্তু মুসলমান কখনোই এসব কুফরি আচারকে স্বীকৃতি দিতে পারে না কারণ আল্লাহ এসবকে সরাসরি হারাম ঘোষণা করেছেন।
"যদি তোমরা কুফরি কর, তাহলে নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের মুখাপেক্ষি নন। তিনি তাঁর বান্দাদের জন্য কুফরি পছন্দ করেন না। [সূরাহ আল-যুমার ৩৯:৭]
অতএব তাদের শুভেচ্ছা জানানো হারাম।
তারা যদি তাদের উপলক্ষসমূহে আমাদের শুভেচ্ছা জানায়, আমাদের উত্তর দেয়া উচিত হবে না। কারণ এগুলো মুসলমানদের উত্সব নয় এবং আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।...
"যে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দ্বীন অন্বেষণ করে, তা তার থেকে কখনোই গ্রহণ করা হবে না, এবং আখিরাতে সে হবে ব্যর্থদের অন্তর্গত। [সূরাহ আল'ইমরান ৩:৮৫]
মুসলিমদের জন্য এসব উৎসবে দাওয়াত গ্রহণ হারাম। কারণ ঐ উত্সবে অংশ নেয়া যা শুভেচ্ছা জানানোর চেয়েও নিকৃষ্ট। অনুরূপভাবে, কুফফারদের অনুকরণে এইসব দিনে পার্টি করা, উপহার বিনিময়, খাদ্যবিতরণ, কাজ থেকে ইচ্ছাকৃত ছুটি নেয়া মুসলিমদের জন্য হারাম।
রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "কোনো মুসলমান যদি অন্য কোন জাতির অনুকরণ করে, সে তাদেরই একজন।"
শায়খুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ তাঁর গ্রন্থ ইক্বতিদা'-এ বলেন, "তাদের উৎসবে তাদের অনুকরণের অর্থ হলো তাদের কুফরি বিশ্বাস ও আচারের ব্যাপারে সন্তুষ্ট থাকা।"
এ ধরণের কাজ যে করে সে গুণাহগার, তা সে ভদ্রতাবশতই করুক বা মানা করতে লজ্জা পাওয়ার জন্যই করুক। কারণ এটি কুফফারদের তাদের ধর্মের ব্যাপারে গর্বিত করে।
যেখানে শুভেচ্ছা জানানোই জায়েজ নাই সেখানে হাসিনা বলছে এ উৎসব সবার। মানে সব মুসলমানরাও এ পূজায় যোগ দিতে পারবে। কত বড় নাফরমান হলে এ কথা বলতে পারে?
হিন্দুদের দুর্গা পূজায় মুসলিমদের যাওয়া কি বৈধ:
উমার ইবনে খাত্তাব বলেছেন "তোমরা মুশরিকদের উপসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারন সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে। (বায়হাক্বী)
কোরআনে বলা হয়েছে- “তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমাদের দ্বীন আমাদের জন্য।” (সূরা কাফিরূন)
কুরআন ও সুন্নাহ -এর দৃষ্টিতে শরীয়তের ফায়সালা হলো হিন্দুদের পূজামণ্ডপে যে কোনো মুসলমানের জন্য যাওয়া ও সাহায্য করা, পূজা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা, আনন্দ উপভোগ করা, প্রসাদ খাওয়া, এমনকি পূজার মেলায় যাওয়া ও জিনিস কেনা-কাটা করাও সম্পূর্ণ হারাম এবং কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, “তোমাদের মধ্যে যারা কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, তারা সেই সমস্ত কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” আর হাদিস শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য রাখে সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।”
এরমানে এই নয় যে হিন্দুদের সাথে কোনরকম সম্পর্ক রাখা যাবে না। এরমানে হলো যে হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠান পালন করা যাবে না। তাদের দেবির উদ্দেশ্যে দেয়া খাবার খাওয়া যাবে না। তাদের ধর্ম পালনে কোন বাঁধা দেয়া যাবে না। কিন্তু পূজা পালন করা যাবে না। বা পূজাকে সবার উৎসব মনে করা যাবে না।
মুসলমানদের জন্য দুটি ঈদকে উৎসবের দিন হিসেবে সিলেক্ট করে দেয়া হয়েছে। এ বাইরে আর কোন দিন মুসলমানদের উৎসবের দিন নয়। না সেটা জন্মদিন বা ইসলামের ঘটনাবলীময় কোন দিন। যেমন ঈদে মিলাদুন্নবিও বিদায়াত। আর সেখানে কিভাবে শেখ হাসিনা বলেন যে, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, সবার উৎসব। এ কথা বলার পর তিনি তো আর নিজেকে মুসলমানই দাবি করতে পারেন না।
এ প্রসঙ্গে ডা.জাকির নায়েক বলেন, মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুর'আনের মোট চার জায়গায় উল্লেখ করেছেন- * সূরা বাকারার ১৭৩ নং আয়াতে, * সূরা মায়িদাহ’র ৩ নং আয়াতে, * সূরা আন’আমের ১৪৫ নং আয়াতে, এছাড়াও * সূরা নাহলের ১১৫ নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে, “আল্লাহ্ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের মাংস খাওয়া। আর যে পশু জবাই করার সময় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নাম নেয়া হয়েছে” অর্থাৎ যা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা হয় সেটা আমাদের জন্য আল্লাহ্ হারাম করে দিয়েছেন। আর এই কারনেই পূজার প্রস্বাদ খাওয়া হারাম।
এখন আসি পূজার অনুষ্ঠানে মুসলিমদের যাওয়ার বিষয়ে- আমাদের দেশে যখন হিন্দুদের পূজার উৎসব চলতে থাকে তখন অনেক মুসলিম-ই তাদের ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। ঐ অনুষ্ঠানে উপভোগ করে। অনেকে উৎসুক ভাবেই যায়। ঐ সমস্ত মুসলিমদের যদি বলি- ভাই হিন্দুদের পূজায় অংশগ্রহণ করো না, উৎসুক ভাবেও যেও না, তাদের দেব-দেবীর নামে উৎসর্গকৃত প্রসাদও খেও না। তখন তারা উত্তরে খুব বুক ফুলিয়েই বলে-গেসি তো কি হয়েছে? গেলেই কি আমি হিন্দু হয়ে যাব? আমার ঈমান ঠিক আছে।
এখন একটু ভেবে দেখুন, মূর্তিপূজা হচ্ছে আল্লাহর সাথে শির্ক করা। আর শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়, সবচেয়ে বড় অপরাধ। মহান আল্লাহ বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্র সাথে শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়।(সুরা লুকমানঃ ১৩) আর শির্কের অপরাধ আল্লাহ কখনো ক্ষমা করবেন না। মহান আল্লাহ বলেন : "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপন করলে তাকে ক্ষমা করবেন না, কিন্তু এর চেয়ে ছোট পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন, এবং যে কেউ আল্লাহর অংশী স্থির করে, সে মহাপাপে আবদ্ধ হয়েছে। (সূরা নিসাঃ ৪৮)। .
পবিত্র আল কুরআন উল কারিমে বলা হয়েছেঃ- “কাফিররা কখনোই আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি তাদের ধর্মের অনুসরণ না করেন।” [সুরা বাকারাহ শরিফঃ আয়াত শরীফ ১২০]
পবিত্র আল কুরআন উল কারিমে বর্ণিত- মুশরিকরা হচ্ছে নাপাক (সূরা তাওবাহ শরিফঃ আয়াত শরীফ ২৮)।
পূজার যেকোন কাজকে সমর্থন জানানো শিরক। অনেক মুসলিম নামধারী আছে যারা অসাম্প্রদায়িকতার নামে পূজার বিভিন্ন কাজকে সমর্থন করে। যেমন- পূজায় ছুটি দিতে হবে, পূজায় মণ্ডপে যেতে হবে, পূজার প্রসাদ খেতে হবে, পূজায় শুভেচ্ছা দিতে হবে। ইত্যাদি। অনেক মুসলমান পূজায় আর্থিক অনুদানও দেয়। যারা এ ধরনের কাজ করে, তারা যখন কবরে যাবে তখন ফিরিশতা আলাইহিমুস সালামরা জিজ্ঞেস করবে- তোমার দ্বীন কি?” তখন সে যেনো উত্তর দেয়- “আমি অসাম্প্রদায়িক। আমার কোন দ্বীন নেই ।” নাউযুবিল্লাহ।
মুসলমানদের অনেকেই বলেনঃ- “আমাদের নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদেরকে অধিকার দিয়েছেন, আমাদেরকেও দিতে হবে।”। যারা এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাদের বলতে হয়-আমাদের নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই ইনসাফের কাজ করেছেন। তবে তিনি তো মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদও করেছেন, তাদের ৩৬০টি মূর্তি ভেঙ্গেছেন, মুশরিকদের কে জাজিরাতুল আবর থেকে বের করে দিতে বলেছেন, তবে আপনিও সেটা করেন তাহলে নবী মানা হবে। এক অংশ করবেন, অন্য অংশ বাদ দিবেন কেন?? আসলে বাংলাদেশে হিন্দু মুশরেকদের কাজে কেউ বাধা দিচ্ছে না, বরং মুসলমানরা যেন হিন্দুদের মুশরিকি কাজে অংশগ্রহণ না করে সেটাই বলা হচ্ছে। এটাই কি নবীজির শিক্ষা?
এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন উল কারিমে বলা হয়েছেঃ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা মায়িদা শরিফঃ আয়াত শরীফ ৫১)
রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে বা রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে অন্য একটি ধর্মের অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে যাওয়া বা সরকারি অর্থ প্রদান করা এক জিনিস আর হিন্দুদের পূজাকে সবধর্মের পূজা বলে ঘোষণা দেয়া আরেক জিনিস। শেখ হাসিনা কাফেরের মতো কথা বলেছেন। তিনি নিজেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছেন। কারণ তার রক্তই হিন্দুদের রক্ত।
এ কারণেই হাসিনা বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। উপর্যুক্ত আলোচনা প্রমাণ করে যে, বিধর্মীদের উৎসবকে বিশ্বাস করে মুসলমানদের অংশগ্রহণ হারাম। মুসলমানদের নির্দিষ্ট দুটি উৎসব ছাড়া বাকি যেকোন উৎসবকে মুসলমানের উৎসব মনে করাও হারাম। আর এক ধর্মের মানুষ আরেক ধর্মের উৎসব পালন করতে পারে না। কারণ যার যার ধর্ম আলাদা, উৎসবও আলাদা। আর ভাল ফসল দেয়ার ক্ষমতা ও মালিক আল্লাহ। শেখ হাসিনা বলেন, গজে চড়ে মা আসায় ভাল ফসল হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ।
আরো সংবাদ
সিটি অব প্যাটারসনের নাগরিক সম্মননা পেলেন জাস্ট নিউজ সম্পাদক
যুদ্ধে ভারতের পক্ষে থাকার ঘোষণা- সুস্পষ্ট সংবিধান লঙ্ঘন
মোদীর পোষা কুকুর- হাসিনা সরকার ও ৭১ টিভির ভাষণ সম্প্রচার
কে এগিয়ে - ইদি আমিন না শেখ হাসিনা???
পরিবার নয়, তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনীতিবিদ- তারেক রহমান
জাতিসংঘের সামনে প্রবল প্রতিরোধ - নাজেহাল শেখ হাসিনা
আজ ফিরছেন খালেদা॥ বিমানবন্দরে শোডাউনের প্রস্তুতি
শহীদ জিয়ার বিরুদ্ধে তোলা বামলীগের কতিপয় প্রশ্নের জবাব…
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কেমন ছিলেন শহীদ জিয়া? তাঁর কতিপয় দোষসমূহ ও একটি ছোটগল্প…
আরো খবর »
চেয়ারম্যান : আবুল হোসেন
প্রধান সম্পাদক: শাহরিয়ার আল মুজাহিদ
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মফিজুল হক শাকিল
ইমেইল: [email protected]
কপিরাইট © 2014 bnation24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।