Movies and Travel Life

Movies and Travel Life We're here to bring joy, laughter, and excitement to your daily life.

মানুষকে সৃষ্টি করাটা একটা বাজে পছন্দ বলে মনে হচ্ছে। আর ফেরেশতারা বলছে,“আমাদের কাছে একটা ভালো বিকল্প আছে, আমরা নিজেদেরকে ...
11/02/2026

মানুষকে সৃষ্টি করাটা একটা বাজে পছন্দ বলে মনে হচ্ছে। আর ফেরেশতারা বলছে,
“আমাদের কাছে একটা ভালো বিকল্প আছে, আমরা নিজেদেরকে বিকল্প হিসেবে পেশ করছি।”
আপনি কি বুঝতে পারছেন? ফেরেশতারা ঠিক এটাই বলেছিল।

আর যখন তারা এই কথা বলছিল, তখন কে শুনছিল?
ইবলিস শুনছিল।

আর সে কি তখন কিছু বলেছিল?
না।

এটা বেশ মজার। এই লোকটা পুরো কথোপকথন দেখছে। আল্লাহ তখনও মানুষকে সৃষ্টি করেননি, কিন্তু সে অলরেডি কিছু একটা অনুভব করছে। কিন্তু সে সেটা বলছে না।

প্রথম যে জিনিসটা আমি চাই আপনারা জানুন—আজ রাতে শয়তান সম্পর্কে আপনারা যা কিছু শিখবেন, তার প্রতিটি কাজ সে আসলে আপনাদের দিয়ে করাতে চায়। সে নিজে যা অনুভব করে, সে চায় আপনারাও তাই অনুভব করেন। সে যা যা করেছে, সে চায় আপনারাও তাই করেন।

আর সে প্রথম যে কাজটা করল—সে কিছু একটা অনুভব করল। কোনো একটা বিষয় তাকে কষ্ট দিচ্ছিল, কিন্তু আল্লাহর সাথে সেটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলে পরিষ্কার করার বদলে সে সেটা নিজের ভেতরে চেপে রাখল।

ফেরেশতারাও কিছু একটা অনুভব করেছিল, কিন্তু তারা কী করেছিল?
তারা সেটা বলে দিয়েছিল।

“হ্যাঁ আল্লাহ, আমাদের কাছে এটা ঠিক যুক্তিযুক্ত মনে হচ্ছে না। আপনি তো সব জানেন, কিন্তু আমরা এটা বুঝতে পারছি না।”
তারা সরাসরি বলেছিল।

কিন্তু ইবলিস বলেনি।

এখন, এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ মাঝে মাঝে শয়তান ঠিক এভাবেই কাজ করে।

ধরুন আপনারা দুইজন দেখা করলেন। কেউ একজন সালাম দিল, কিন্তু আপনার চোখের দিকে তাকাল না। আপনি তখন ভাবছেন—
“সে চোখের দিকে তাকাল না কেন? সে কি আমার ওপর রাগ করে আছে? সেই যে একবার আমি তাকে ইমেইল করেছিলাম আর সে উত্তর দেয়নি, সেজন্যই কি সে এমন করল?”

কিন্তু আপনি মুখে কিছুই বলছেন না।
এটা কোথায় চলছে?
আপনার মাথার ভেতরে।

এখন ধরুন ঈদের সময় আপনি মানুষকে দাওয়াত দিচ্ছেন কিন্তু ভাবছেন—
“আমি মনে হয় একে দাওয়াত দেব না। মনে আছে সেই যে চোখের দিকে না তাকানোর ব্যাপারটা?”

এটা ধীরে ধীরে তুষারগোলকের মতো বড় হতে থাকে।
আপনি ভাবেন—
“সে আমাকে অনেক ঘৃণা করে। আমি জানি না আমি তার কী ক্ষতি করেছি।”

কিন্তু আপনি জানেন না সে আসলে কী ভাবছে।
আপনি নিজের মাথার ভেতর একটা সমান্তরাল জগত তৈরি করে ফেললেন—কারণ আপনি জিজ্ঞেস করেননি,
“হেই, সব ঠিক আছে তো?”

হয়তো সে উত্তর দিত—
“হ্যাঁ, সব ঠিক আছে। আসলে আমার অ্যালার্জি হয়েছে।” (হাসি)
“তুমি জানো না আমার একটা চোখ ট্যারা, আমি আসলে ওদিকে তাকাচ্ছিলাম কিন্তু তোমার মনে হয়েছে অন্য দিকে তাকাচ্ছি।”

একবার পরিষ্কার করে নিলে তো বিষয়টা পুরো আলাদা হয়ে যায়, তাই না?

যেমন আমি আপনাদের একবার বলেছিলাম—এক আলেমকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। একটা কনফারেন্সে উনার সাথে দেখা হলো। আমি খুব উত্তেজিত ছিলাম। আমি সেলফি-টেলফি তুলি না, তাই শুধু উনার কাছে গিয়ে বললাম,
“আসসালামু আলাইকুম।”

উনি স্টলে নিজের কাজ করে যাচ্ছিলেন, মুখ তুলেও তাকালেন না।
তিনবার বললাম!
কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।

আমি ভাবলাম—
“ওয়াহ! আমি এই লোকটাকে এত শ্রদ্ধা করতাম!”

আমি যখন চলে যাচ্ছি, অন্য একজন এসে অন্য পাশ থেকে উনাকে সালাম দিল। উনি সাথে সাথে বললেন,
“ওয়ালাইকুম আসসালাম! ভাই কেমন আছেন? আপনার নাম কী?”

আমি ভাবলাম—
“আমিও তো ওদিক দিয়েই চেষ্টা করতে পারি।”

আমি ওই পাশ দিয়ে গিয়ে সালাম দিলাম, এবং উনি উত্তর দিলেন।
আসলে উনি এক কানে কালা ছিলেন!

তো আপনি যদি বিষয়টি পরিষ্কার না করেন, তবে আপনি নিজের মাথায় একটি সমান্তরাল বাস্তবতা তৈরি করবেন, তাই না?

ইবলিস আল্লাহর আনুগত্য করতে করতে নিজেকে এতটাই যোগ্য প্রমাণ করেছিল যে সে ফেরেশতাদের সাথে মিটিংয়ে বসার সুযোগ পেত।

যখন আল্লাহ বললেন,
“আমি পৃথিবীতে একজন খলিফা বা প্রতিনিধি পাঠাতে যাচ্ছি।”

নতুন সৃষ্টি? কেন?
আর এর মধ্যে এত বিশেষ কী আছে?

আল্লাহ বললেন—
“সে আমার রূহ ধারণ করবে, তার ভালো-মন্দের পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকবে।”

ইবলিস ভাবছিল—
“আমি তো সারাজীবন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আসছি। এমনকি ফেরেশতারা তো ভুল করার ক্ষমতাই রাখে না, আমি তাদের চেয়েও ভালো। অথচ আপনি আমার কথা ভাবছেন না?”

সে কি এগুলো বলেছিল?
না।
সে মনে মনে ভাবছিল।

তো প্রথম সমস্যা হলো—নেতিবাচক অনুভব করেও সেটা না বলে ভেতরে সংক্রমণ বাড়ানো।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো—
“কেন আমাকে নয়? কেন ওকে?”

ইবলিসকে কি উচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়নি?
হ্যাঁ, দেওয়া হয়েছিল।

আদমকে দায়িত্ব দেওয়ার ফলে কি ইবলিসের কিছু কমে গিয়েছিল?
না।
ইবলিস তখনও উচ্চ মর্যাদাতেই ছিল।

কিন্তু ইবলিসের সমস্যা ছিল—সে যা পেয়েছে তাকে আর মূল্যবান মনে করছিল না, যখন সে অন্য কাউকে কিছু পেতে দেখছিল।

সে চেয়েছিল সমস্ত স্বীকৃতি আর প্রশংসা যেন কেবল তার দিকেই আসে।
অন্য কেউ প্রশংসা পেলে সে মনে করত, সেটা যেন তার থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

আমি আপনাদের একটা উদাহরণ দেই।

ধরুন মসজিদের কোনো ফান্ডরেইজার অনুষ্ঠান। শেষে সব ভলান্টিয়ারদের ধন্যবাদ দেওয়া হচ্ছে—
“আমি ধন্যবাদ দিতে চাই আব্দুল করিমকে, বোন ফাতিমাকে, ইয়াহিয়াকে, আব্দুল্লাহকে এবং জয়নাবকে…”

আর সেখানে এক ‘মরিয়ম’ নিজের নাম শোনার জন্য অপেক্ষা করছিল।
সে হয়তো ‘বিনয় বা হিউমিলিটি’ ডিপার্টমেন্টের সেক্রেটারি! (হাসি)

সে অপেক্ষা করছে।
কিন্তু তারা তার নামটা বলতে ভুলে গেল।

সে তখন ভাবছে—
“এত কাজ করলাম! আমার নামটা পর্যন্ত বলতে পারল না?”

“আমি তো হ্যান্ডআউটে নিজের নামটা ১৮ ফন্ট সাইজে আর বোল্ড করে দিয়েছিলাম যেন কারো নজর না এড়ায়।”
“আমি জানি তারা ইচ্ছা করেই আমার নাম নেয়নি।”

শয়তান চায় আপনি অনুভব করুন—
অন্য কেউ স্বীকৃতি পাওয়া মানে আপনার থেকে কিছু কেড়ে নেওয়া।

এটা পরিবারেও শুরু হয়।

মা যখন আপনার ভাইকে জড়িয়ে ধরে, তখন আপনার চোখ জ্বলে ওঠে!
আপনি ভাবেন—
“আজ রাতে ঘুমের মধ্যে তোর মুখে আমার নোংরা মোজা ভরে দেব!” (হাসি)

“কেন আমি ওই আদরটা পেলাম না?”

এখন একটা বাস্তব উদাহরণ দেই।

আপনার এক বাচ্চা সারা সপ্তাহ মিথ্যা বলেছে যে সে হোমওয়ার্ক করেছে—আসলে করেনি। টিচার নোট পাঠিয়েছে।
আর অন্য বাচ্চা অংকে ৯০ পেয়েছে।

দুইজনই আপনার কাছে এল।

ভালো বাচ্চাটা বলল—
“আমি কি আইসক্রিম পেতে পারি?”

আপনি বললেন—
“হ্যাঁ, অবশ্যই! তুমি এটা অর্জন করেছ।”

অন্যজন বলল—
“আমি কি পেতে পারি?”

আপনি বললেন—
“না। তুমি যা করেছ সেটা নিয়ে ভাবো। টিচারকে কেন এমন নোট পাঠাতে হলো? আর তুমি আমার সাথে মিথ্যা বলেছ।”

এখন এই বাচ্চাটা যাকে বকা দেওয়া হলো, সে ভাবছে—
“ওয়াহ! ও আইসক্রিম পাচ্ছে আর আমি বকা? মা ওকে ভালোবাসে, আমাকে বাসে না।”

কিন্তু আসলে কি তাই?
এই দুইটাই কি ভালোবাসার কাজ নয়?

কারণ যে মিথ্যা বলছে তাকে আপনি আইসক্রিম দিতে পারেন না।
তাকে শাসন করাই হলো ভালোবাসা।

আপনি সবাইকে একইভাবে ট্রিট করতে পারেন না।

ঠিক এই অনুভবটাই শয়তান ইউসুফ (আ.)-এর ভাইদের মনে ঢুকিয়ে দিয়েছিল।

ইবলিস এখনও কিছু বলেনি, কিন্তু তার চুপ থাকাটাই অনেক কিছু বলছিল।

আল্লাহ ফেরেশতাদের বললেন—
“আমি যা জানি তোমরা তা জানো না।”

এখন গল্পের পরবর্তী অংশ।

আমাদের সবাইকে কিন্তু একসাথে সৃষ্টি করা হয়েছিল।
আমরা কোনো আধ্যাত্মিক আইসিইউ-তে ছিলাম না।

আমরা সবাই সচেতন ছিলাম এবং আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতাম।

আমাদের এই শরীরটা কেবল একটা খোলস—একটা সাময়িক ঘর।
কিন্তু আমাদের আসল সত্তা—রূহ—অনেক আগে সৃষ্টি হয়েছে।

রাসূল (সা.) বলেছেন, রূহরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত ছিল।

কখনো কি হয়েছে—সম্পূর্ণ অপরিচিত কারো সাথে দেখা হয়েছে, যার ভাষাও আলাদা, কিন্তু আপনার মনে হচ্ছে আপনি তাকে চেনেন?

আবার নিজের পরিবারের কারো দিকে তাকিয়ে মনে হয়—
“আমি তোমার আত্মীয় হলাম কীভাবে? বুঝলাম না!”

কিছু রূহকে একে অপরের কাছাকাছি রাখা হয়েছিল।
যখন তারা পৃথিবীতে একে অপরকে খুঁজে পায়, তারা সেরা বন্ধু হয়ে যায়।

আবার কিছু রূহ একে অপরের থেকে অনেক দূরে ছিল।
তারা হয়তো দুজনেই ভালো মানুষ, কিন্তু একে অপরকে সহ্য করতে পারে না—চুম্বকের বিপরীত মেরুর মতো।

তো যাই হোক—

আল্লাহ আদমের শরীর বানালেন মাটি দিয়ে, রূহ ফুঁকে দিলেন।
আল্লাহ আদমকে মনোনীত করলেন।

মনোনীত করার মানেই হলো—সেখানে অনেকগুলো অপশন ছিল।

সব রূহদের মাঝ থেকে আদমকে বেছে নিয়ে ওই শরীরে দেওয়া হলো।

এরপর আল্লাহ আদমের সামনে আমাদের সবাইকে নিয়ে এলেন—
ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ সবাই সেখানে ছিল!

এবং আল্লাহ আদমকে আমাদের প্রত্যেকের নাম এবং গুণাবলী শিখিয়ে দিলেন।

“এই সন্তানটি খুব সৃজনশীল হবে।”
“এ হবে খুব রাগী।”
“এ হবে অংকে তুখোড়।”
“এ হবে অনেক ধৈর্যশীল।”

যেন প্রতিটি মানুষের একটা পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইল আদমকে দেওয়া হলো।

‘আসমাহ’ শব্দের মানে নাম এবং গুণ—দুটোই।

এবার আল্লাহ ফেরেশতাদের নিয়ে এলেন।

ফেরেশতাদের সমস্যা কী ছিল?
“মানুষ রক্তপাত করবে।”

আল্লাহ বললেন, মানুষের ভেতরে রূহ আছে যা তাকে বিশেষ করে।

আল্লাহ ফেরেশতাদের বললেন—
“এই মানুষগুলোকে কি তোমরা বর্ণনা করতে পারবে? এদের নাম বলতে পারবে?”

তারা বলল—
“আমরা কিছুই জানি না, আপনি যা শিখিয়েছেন তা ছাড়া।”

আল্লাহ আদমকে ডাকলেন।
বললেন—
“তুমি এদের নাম আর গুণ ফেরেশতাদের বর্ণনা করো।”

যখন এই ডেমোনেস্ট্রেশন চলছিল, তখন পাশে দাঁড়িয়ে কে দেখছিল?
ইবলিস।

আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে একটা নূর বা আলো আছে।
এমনকি ফেরাউনের ভেতরেও সেই আলো ছিল।

মুসা (আ.)-কে বলা হয়েছিল ফেরাউনের সাথে নরমভাবে কথা বলতে—কারণ তার ভেতরেও তখনও সেই রূহ ছিল।

আদম আমাদের সবার ভেতরের ভালো গুণগুলো ফেরেশতাদের সামনে তুলে ধরলেন।

ফেরেশতারা ওই অসীম গুণাবলী দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল।
তারা বুঝে গেল।

আল্লাহ তখন বললেন—
“আমি কি বলিনি যে আমি যা জানি তোমরা তা জানো না?”

“আমি তাদের শুধু মস্তিষ্ক দেইনি।
আমি তাদের রূহ দিয়েছি—যা তাদের ভেতরের আলো বাড়াতে সাহায্য করবে।”

ফেরেশতারা তখন সিজদায় পড়ে গেল।

জান্নাতে গেলে আমার একটা অদ্ভুত আবদার থাকবে।
আমি বলব—
“আল্লাহ, আমি কি ওই দৃশ্যটা আবার দেখতে পারি? তবে ক্যামেরাটা যেন ইবলিসের ওপর থাকে!”

আমি কল্পনা করি—তার পাশের ফেরেশতা হয়তো তাকে বলছিল,
“মানুষগুলো কত চমৎকার, তাই না? দারুণ না?”

আর ইবলিস?
এখনও চুপ।

কিন্তু এখন সময় হয়েছে…
প্রথম সিজদাহ করার।

নোমান আলী খান

এপস্টেইন তার একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম রেখেছিল Baal। Baal ছিল এক প্রাচীন দেবীর / (অনেক বর্ণনায় একে দেবতা বলা হয়েছে) ন...
02/02/2026

এপস্টেইন তার একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম রেখেছিল Baal। Baal ছিল এক প্রাচীন দেবীর / (অনেক বর্ণনায় একে দেবতা বলা হয়েছে) নাম, যাকে শাম অঞ্চলে পূজা করা হতো। বাল পূজার মধ্যে শিশু বলি অন্তর্ভুক্ত ছিল, যেখানে শিশুদের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হতো। একজন সাক্ষী বলেছে যে এপস্টেইনের পার্টিগুলোতে বড় বড় ধণী, ক্ষমতাশালীরা শিশুদের মাংস খেত।

এটা সেই বাল (baal) যাকে ইসলামপূর্ব আরবে কুরাইশদের তাড়িয়ে মক্কা দখল করা বনু খুজাআ গোত্রের ব্যবসায়ী আমর ইবনে লুহাই আল খুজায়ী ব্যবসা করতে গিয়ে শাম অঞ্চলে খুঁজে পায়। সেখানে বাল দেবীর পূজায় প্রচুর ব্যবসা হতো দেখে আমর ইবনে লুহাই বালের অনুকরণে আরেকটি বড় মূর্তি মক্কায় নিয়ে আসে। সেটাকে পাহাড়ে স্থাপন করে আর নাম রাখে "হুবাল"। এরপর মক্কাতেও নানা উৎসব করে এটার পূজা হতো আর আমর প্রচুর টাকা কামাতো।

পরবর্তীতে আরবের অন্য ব্যবসায়ীরাও নতুন পূজার কালচার আনতে থাকে আর হুবালের পর লাত, মানাত, উজ্জা, ইসাফ, নাঈলা নামক আরও মূর্তি আসতে থাকে।

আল্লাহর রাসুলের (সা) পূর্বপুরুষ কুশাই ইবনে কিলাব এই বনু খুজাআ গোত্রকে তাড়িয়ে কাবার নিয়ন্ত্রণ কুরাইশদের অধীনে নিয়ে আসেন। কিন্তু বনু খুজাআর প্রতিষ্ঠা করা আইন বানানোর পার্লামেন্ট দার-আন-নদওয়া আগের মতই রেখে দেন। এবং মূর্তিপূজার কালচারও রেখে দেন।

তারমানে বৃটিশরা চলে যাওয়ার পরেও যেমন আমাদের এই অঞ্চলে আবার ইসলামিক আইন না এনে বৃটিশ আইনই চালু রাখে ঠিক তেমন। আর মূর্তিপুজার মতো করেই তাদের অনুকরণে আমরা শহীদ মিনার, স্মৃতি সৌধের মত মনুমেন্ট বানাই।

মূল শয়তানের পূজাটা হয় মূলত সিস্টেমে। যেখানে আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষ আইন বানায়। আর মূর্তি কিংবা সৌধ পূজা হলো এই কুফরি সিস্টেমেরই কালচার।

পরবর্তীতে আল্লাহর রাসুল (সা) নবুয়ত পেয়ে যখন এই সিস্টেম বাদ দিয়ে আল্লাহর বিধান দিয়ে শাসিত হবার আহবান জানান, তখনই মক্কার লিডারশীপ এটার সাথে সংঘর্ষে জড়ায়।

আজকেও যারা গণতন্ত্রের পক্ষে বলে তথা কুফরের পক্ষে বলে তাদেরকে সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু যখনি কেউ ইসলামী শাসন তথা খিলাফতের কথা বলে — তাকে নিষিদ্ধ করা হয়।

প্রিয় গণতন্ত্রী মুসলমানের বাচ্চারা, কিছু বুঝ?

27/01/2026

📌কম্পিউটার–বেইসড IELTS এর জন্য ৩০ দিনের রিয়ালিস্টিক প্রিপারেশন প্ল্যান (২০২৬)

কম্পিউটার–বেইসড IELTS এ টাইম ম্যানেজমেন্ট, টাইপিং স্কিল আর স্ট্র্যাটেজি না থাকলে স্কোর আটকে যায়।

এই পোস্টটা তাদের জন্য, যারা হাতে খুব বেশি সময় নেই, কিন্তু পরিকল্পনা করে সিরিয়াসলি প্রস্তুতি নিতে চান:

Week 1: ফরম্যাট বোঝা ও বেসলাইন তৈরি

লক্ষ্য: IELTS কীভাবে পরীক্ষা নেয়, সেটা পরিষ্কারভাবে বোঝা

১. প্রথমেই একটি ফুল মক টেস্ট দিন। স্কোর ভালো বা খারাপ যাই হোক, এটা দরকার নিজের অবস্থান বোঝার জন্য।
২. কম্পিউটার–বেইসড IELTS এর ইন্টারফেস ভালোভাবে দেখুন। স্ক্রল করা, হাইলাইট করা, টাইপ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৩. প্রতিটি মডিউলের ব্যান্ড ডিসক্রিপ্টর পড়ুন। বিশেষ করে Writing ও Speaking এর ক্ষেত্রে।
৪. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট Listening প্র্যাকটিস শুরু করুন।
৫. Academic Reading এর জন্য ছোট আর্টিকেল পড়ার অভ্যাস করুন।

Week 2: আলাদা আলাদা স্কিল ডেভেলপমেন্ট

লক্ষ্য: চারটি মডিউলে দুর্বল জায়গা চিহ্নিত করা

Listening
– দুই দিন পর পর ফুল Listening টেস্ট দিন
– Key word ধরার প্র্যাকটিস করুন
– ভুল কেন হলো সেটা লিখে রাখুন

Reading
– Skimming আর Scanning আলাদা করে প্র্যাকটিস করুন
– টাইম ধরে প্যাসেজ পড়ুন
– সব প্রশ্ন সঠিক না হলেও টাইমে শেষ করা শিখুন

Writing
– Task 1 আর Task 2 এর স্ট্রাকচার পরিষ্কারভাবে শিখুন
– প্রতিদিন কমপক্ষে একটি অংশ টাইপ করে লিখুন
– কম্পিউটারে টাইপিং স্পিডের দিকে মনোযোগ দিন

Speaking
– প্রতিদিন নিজের উত্তর রেকর্ড করুন
– ফ্লুয়েন্সি আর আইডিয়া ডেভেলপমেন্টে ফোকাস রাখুন
– নিখুঁত ইংরেজি নয়, ক্লিয়ার কথা বলাই লক্ষ্য

Week 3: টাইমড প্র্যাকটিস ও পারফরম্যান্স ট্র্যাকিং

লক্ষ্য: পরীক্ষার চাপের সঙ্গে অভ্যস্ত হওয়া

১. সপ্তাহে অন্তত ২টি ফুল মক টেস্ট দিন
২. প্রতিটি মকের পর ভুলের তালিকা বানান
৩. Writing এ coherence আর clarity ঠিক আছে কি না দেখুন
৪. Speaking এর Part 2 ও Part 3 আলাদা করে প্র্যাকটিস করুন
৫. Academic vocabulary নোট করুন, কিন্তু মুখস্থ করার চাপ নেবেন না

এই সপ্তাহে বোঝা যাবে, কোন জায়গায় স্কোর আটকে যাচ্ছে।

Week 4: রিফাইনমেন্ট ও ফাইনাল প্রস্তুতি

লক্ষ্য: স্কোর স্টেবল করা ও কনফিডেন্স বাড়ানো

১. ৩–৪টি ফুল মক টেস্ট দিন, পুরোপুরি পরীক্ষার মতো পরিবেশে
২. Listening ও Reading অবশ্যই কম্পিউটার স্ক্রিনে প্র্যাকটিস করুন
৩. বারবার যে ভুল হচ্ছে, শুধু সেগুলোতেই কাজ করুন
৪. Writing এ কমন স্ট্রাকচার রিভিশন দিন
৫. Speaking এ সময় ম্যানেজমেন্ট আর আইডিয়া অর্গানাইজেশনে ফোকাস করুন

এই সময় নতুন কিছু শেখার চেষ্টা না করে, যা জানা আছে সেটাকেই শানিত করা জরুরি।

📌কোন সোর্সগুলো ব্যবহার করবেন

ভুল বা আনঅফিসিয়াল সোর্স ব্যবহার করলে প্রস্তুতি ভুল পথে চলে যায়।

– IELTS Official Website (IDP / British Council)
– IELTS Official Practice App
– Cambridge IELTS বইগুলো
– IDP এর ফ্রি প্রস্তুতি রিসোর্স ও মক টেস্ট

এসব সোর্সই এক্সামিনারদের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তৈরি।

প্রতিদিন ২–৩ ঘণ্টা সময় দিন, একদিন বেশি আর পরদিন কিছুই না, এমন না। শুধু প্র্যাকটিস করলে হবে না, ভুল বিশ্লেষণ করতেই হবে।
IELTS কোনো ট্রিকের পরীক্ষা না। এটা পরিকল্পনা, ধারাবাহিকতা আর সঠিক সোর্সের পরীক্ষা🍁

আপনি সানস্ক্রিন মাখেন, ছাতা ব্যবহার করেন, কড়া রোদ এড়িয়ে চলেন। তবুও ইদানীং আয়নায় তাকালে মনে হয় ত্বকটা যেন ঝুলে যাচ্ছে (Sa...
25/01/2026

আপনি সানস্ক্রিন মাখেন, ছাতা ব্যবহার করেন, কড়া রোদ এড়িয়ে চলেন। তবুও ইদানীং আয়নায় তাকালে মনে হয় ত্বকটা যেন ঝুলে যাচ্ছে (Sagging), গালের চামড়া কুঁচকে যাচ্ছে। বয়স ৩০ বা ৩৫ হওয়ার আগেই মনে হচ্ছে ৪০ ছুঁই ছুঁই। আপনি হয়তো ভাবছেন, "আমার স্কিন কেয়ারে নিশ্চয়ই কোনো বড় ভুল হচ্ছে।"
​না, আপনার সানস্ক্রিনে ভুল নেই। ভুলটা আছে আপনার বিকেলের নাস্তায় বা চায়ের কাপে। আপনার এই অকাল বার্ধক্যের নাম 'সুগার সাগ' (Sugar Sag)।
​আমরা জানি চিনি খেলে মোটা হয়, কিন্তু চিনি যে আমাদের ত্বককে ভেতর থেকে 'চুইংগামের' মতো টেনে নামিয়ে দেয়, তা অনেকেই জানি না। এর পেছনের বিজ্ঞানটা জানলে আপনি আজই মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দেবেন।

বিজ্ঞান কী বলে?
আমাদের ত্বক টানটান এবং বাউন্সি থাকে 'কোলাজেন' এবং 'ইলাস্টিন' নামের প্রোটিনের কারণে। এগুলো অনেকটা স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে, যা চামড়াকে টাইট রাখে।
​কিন্তু যখনই আপনি রসগোল্লা, কেক, বিস্কুট বা চিনি দেওয়া চা খান, সেই অতিরিক্ত সুগার বা গ্লুকোজ রক্তের মাধ্যমে ত্বকে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে এটি কোলাজেন প্রোটিনের সাথে আঠার মতো জড়িয়ে ধরে। বিজ্ঞানের ভাষায় এই ভয়ংকর প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'গ্লাইকেশন' (Glycation)।

​সহজ একটি উদাহরণ দিই—
চিনির শিরায় ডুবিয়ে রাখলে যেমন নরম পাউরুটি শক্ত এবং ভঙ্গুর (Brittle) হয়ে যায়, ঠিক তেমনি গ্লুকোজ আপনার ত্বকের নরম ও ফ্লেক্সিবল কোলাজেন ফাইবারগুলোকে শক্ত, ভঙ্গুর এবং কাঁচের মতো অনমনীয় করে ফেলে। ফলে আপনার ত্বকের সেই 'স্প্রিং' নষ্ট হয়ে যায়। তখন ত্বক আর মাধ্যাকর্ষণের (Gravity) সাথে পেরে ওঠে না, ঢিলা হয়ে ঝুলে পড়ে এবং ভাঁজ বা রিংকেলস দেখা দেয়।

আপনি ওপর থেকে যতই হাজার টাকার 'অ্যান্টি-এজিং' বা 'রিংকেল লিফটিং' ক্রিম মাখুন না কেন, যদি ভেতর থেকে চিনি আপনার কোলাজেনকে প্রতিনিয়ত ভেঙে দিতে থাকে, তবে কোনো লাভ হবে না। ফুটো বালতিতে পানি ভরার মতো অবস্থা হবে।
​তাই তারুণ্য ধরে রাখতে চান? পার্লার বা কসমেটিকস শপে যাওয়ার আগে রান্নাঘরে যান এবং চিনির কৌটাটা ডাস্টবিনে ফেলে দিন। অ্যান্টি-এজিং ক্রিম নয়, 'নো-সুগার ডায়েট'-ই হলো আসল যৌবনের চাবিকাঠি।

14/01/2026

Which Australian state are you living or would you choose to live in? 🇦🇺👇
🥇 Queensland — Best Overall
✔ Sunshine almost all year
✔ More affordable than NSW and VIC
✔ Gold Coast and Sunshine Coast beaches
✔ Fast-growing job market
✔ Great for families and young professionals

Perfect if you want lifestyle, weather, and value in one place.

🥈 Victoria — Best for culture and careers
✔ Melbourne’s café culture, events, and diversity
✔ Strong jobs in healthcare, IT, and education
✔ Excellent public transport
✘ Unpredictable weather
✘ Higher living costs in Melbourne

Best for city life and long-term career growth.

🥉 New South Wales — Best for salary and opportunities
✔ Highest wages, especially in Sydney
✔ Iconic beaches and global city lifestyle
✔ Huge job market
✘ Most expensive state
✘ Traffic and daily costs can be stressful

Best if earning potential is your top priority.

4. South Australia — Most affordable
✔ Calm, clean, family-friendly Adelaide
✔ Lower rent and living costs
✘ Smaller job market

Ideal for a relaxed and budget-friendly life.

5. Western Australia — High pay, outdoor lifestyle
✔ Strong salaries in mining, healthcare, engineering
✔ Stunning beaches and wide open spaces
✘ Far from other major cities

Great for high income and adventure lovers.

6. Tasmania — Peaceful and nature-focused
✔ Affordable housing
✔ Clean air and beautiful landscapes
✘ Fewer job options
✘ Lower salaries

Perfect for slow living and nature lovers.

7. ACT (Canberra) — Safest and cleanest
✔ Very safe and well-planned
✔ High-paying government jobs
✔ Excellent education standards
✘ Quiet nightlife
✘ Expensive housing

Best for families and professionals seeking stability.

👉 Which state matches your lifestyle and goals? Comment below ⬇️


আপনি ভাবতে পারেন পৃথিবী চালায় আমেরিকা, ইউরোপ বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা।অথবা ইলন মাস্ক, ট্রাম্প, শি জিনপিং কিংবা পুতিনই সব...
12/01/2026

আপনি ভাবতে পারেন পৃথিবী চালায় আমেরিকা, ইউরোপ বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্টরা।
অথবা ইলন মাস্ক, ট্রাম্প, শি জিনপিং কিংবা পুতিনই সব।

আসলে বিষয়টা এত সরল না।
পর্দার আড়ালে এমন এক খেলা চলে, যেখানে অস্ত্র হলো টাকা। আর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র—সুদ।

আজ এমন এক পরিবারের গল্প, যারা দেখিয়েছে কীভাবে সুদের মাধ্যমে রাজা, প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট—এমনকি পুরো দেশকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

পরিবারটির নাম—রথচাইল্ড (Rothschild)।

গল্পের শুরু ১৮শ শতকের জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে।
ইহুদিদের জন্য নির্দিষ্ট একটি ছোট, নোংরা এলাকায় থাকতেন মায়ার আমশেল রথচাইল্ড। পেশা ছিল পুরোনো কয়েন কেনাবেচা। অবস্থা এমন যে মানুষ ভাবত, কোনো রকমে খেয়ে-পরে বাঁচলেই বড় কথা।
কিন্তু মায়ারের চিন্তা ছিল আলাদা।

তিনি শুধু বড়লোক হতে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন এমন এক অর্থনৈতিক রাজত্ব, যার সীমা নেই।
মৃত্যুর আগে নয়—জীবন থাকতেই তিনি তার পাঁচ ছেলেকে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শহরে পাঠিয়ে দেন।
লন্ডন, প্যারিস, ভিয়েনা, নেপলস আর ফ্রাঙ্কফুর্ট।

বাইরে থেকে মনে হয়েছিল পরিবারটা ছড়িয়ে পড়েছে।
আসলে তারা তৈরি করেছিল সেই সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী “হিউম্যান নেটওয়ার্ক”।

নিজস্ব ঘোড়সওয়ার আর বার্তাবাহকের মাধ্যমে তারা খবর পেত সবার আগে—সরকারেরও আগে।

১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধ এই পরিবারের গল্পে বড় মোড় এনে দেয়।

নেপোলিয়নের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। ব্রিটেনের ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে এক যুদ্ধের উপর। লন্ডনের স্টক মার্কেটে আতঙ্ক। সবাই শেয়ার বিক্রি করছে।

ঠিক তখন নাথান রথচাইল্ড যুদ্ধের ফল জানতে পারেন—সরকারি ঘোষণার আগেই।

তিনি খুশিতে উচ্ছ্বাস দেখাননি।
বরং উল্টোটা করলেন।
স্টক মার্কেটে গিয়ে নিজের শেয়ার বিক্রি শুরু করলেন।

মানুষ ভাবল, “নাথান বিক্রি করছে মানে নেপোলিয়ন জিতে গেছে।”
হুড়োহুড়ি করে সবাই শেয়ার বিক্রি করে দিল। বাজার ভেঙে পড়ল।

আর ঠিক তখনই, নাথান নিঃশব্দে সব শেয়ার পানির দামে কিনে নিলেন।

পরদিন খবর এল—নেপোলিয়ন হেরে গেছে।
শেয়ারের দাম আকাশ ছুঁল।

একদিনে রথচাইল্ড পরিবার ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হলো।

এরপর তারা শুধু ধনী থাকেনি।
তারা হয়ে উঠেছিল রাজাদের ব্যাংকার।

সুয়েজ খাল, রেললাইন, যুদ্ধ, রাষ্ট্র পরিচালনা—সব জায়গায় তাদের ঋণ।

এমনকি কিছু দেশের স্বাধীনতার অর্থায়নও হয়েছে ব্যাংক লোনের মাধ্যমে।

সবচেয়ে কড়া ছিল তাদের গোপনীয়তা।
পরিবারের বাইরে কেউ মূল হিসাব জানত না।
নিজস্ব কোডে যোগাযোগ, নিজেদের মধ্যেই সিদ্ধান্ত।

আজ তারা আর ফোর্বসের শীর্ষ তালিকায় নেই।
কারণ তারা সামনে নেই।

তারা আছে ব্যাংকের পেছনে, বিনিয়োগের ভেতরে, সিদ্ধান্তের অদৃশ্য জায়গায়।

এখানেই প্রশ্নটা আসে—কেন ইসলাম সুদকে এত কঠোরভাবে হারাম করেছে?
কারণ সুদ মানে অন্যের দুর্বলতাকে পুঁজি করা।
ব্যবসা মানে ঝুঁকি আর পরিশ্রম।

সুদ মানে নিরাপদ দূরত্বে বসে নিশ্চিত লাভ।
আজকের ব্যাংকিং সিস্টেমে গরিব মানুষ সারা জীবন কিস্তি দেয়।আর সিদ্ধান্ত নেয় কিছু মানুষ, এসি রুমে বসে।

কোরআনে সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে—কারণ সুদ একটি সমাজকে ধীরে ধীরে পঙ্গু করে দেয়।

ধনী হওয়া দোষের না।
ইসলামে বহু ধনী মানুষ ছিলেন।
কিন্তু তারা ধনী হয়েছিলেন মানুষের উপকার করে, ঋণের ফাঁদে ফেলে নয়।

আপনি হয়তো ভাবছেন, “আমি এসব জেনে কী করব?”

জানতে হবে।
কারণ আপনি যদি সিস্টেম না বোঝেন,
তাহলে আপনি নিজেই সেই সিস্টেমের দাবার ঘুঁটি হয়ে থাকবেন।

নোট: টাকা কীভাবে তৈরি হয়, আর ঋণ কীভাবে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করে—এই গল্পের সাথে তার গভীর সম্পর্ক আছে। সেটা আরেকদিন।
আপাতত বুঝে পড়ুন, ভাবুন, আর প্রশ্ন করতে শিখুন।

Rangamati, kaptai lake
31/12/2025

Rangamati, kaptai lake

31/12/2025

Kaptai lake, Rangamati

Address

Bashundara
Dhaka
1510GAJARIA

Telephone

+8801730295084

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Movies and Travel Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Club

Send a message to Movies and Travel Life:

Share