Mahmud Hosen Liton

Website Contact the club

Mahmud Hosen Liton মানুষের অদম্য ইচ্ছা শক্তি তার বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র। এই অসাধারণ গুনের জন্যই মানুষ সব প্রাণী জগতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
ফেসবুক আইডি
Mahmud Hosen Liton ✅

09/10/2026

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা

অনেক কথা বলার ছিলো বলতে পারলাম না ১০/১০/২০২৬
09/10/2026

অনেক কথা বলার ছিলো বলতে পারলাম না
১০/১০/২০২৬

আমি অভিশাপ দেই না,কারও প্রতি কোন অভিযোগ নাই আমার, কিন্তু আমি যদি সঠিক হই, যদি আমার সাথে সত্যিই অবিচার করা হয়।তবে আমার খো...
06/10/2026

আমি অভিশাপ দেই না,
কারও প্রতি কোন অভিযোগ নাই আমার,
কিন্তু আমি যদি সঠিক হই,
যদি আমার সাথে সত্যিই অবিচার করা হয়।
তবে আমার খোদা কি সইবে?

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কি মানুষের জীবন নষ্ট করে দেয়?আমার ব্রেইন সবসময় একটিভ থাকে এত চিন্তা এত প্রেশার।বাইরে থেকে দেখলে মনে ...
06/10/2026

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কি মানুষের জীবন নষ্ট করে দেয়?

আমার ব্রেইন সবসময় একটিভ থাকে এত চিন্তা এত প্রেশার।

বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে আমার জীবন স্মথ কিন্তু আমার জীবনে অনেক কিছু না পাওয়ার রিগ্রেট আমাকে ঠিকঠাক বাঁচতে দেয় না।

এই ব্রেইন আমাকে সব সময় ওভারথিংক করায়। আমি ঠিকভাবে কিছুই করতে পারিনা এত চিন্তা করতে করতে আমি ঠিক ভাবে বাঁচতে পারি না।

আমার সাথে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটা ঘটনা ভীষণ ভাবে ভাবায় অসুস্থ করে ফেলে আমি আসলে কি করতে পারি!🖤

অধিক দায়িত্ব পালন করা মানুষগুলোইদিনশেষে সবচেয়ে বেশি দোষী হয় :-!
02/10/2026

অধিক দায়িত্ব পালন করা মানুষগুলোই
দিনশেষে সবচেয়ে বেশি দোষী হয় :-!

আইজ মনডা বড্ড বেশি খারাপ, কি জানি এক অশান্তি কলিজার ভেতরে আইলসা বইসা আছে। আইজকার এই গুমট দুপুরে বইসা নিজের দিকে তাকাইয়া ...
01/10/2026

আইজ মনডা বড্ড বেশি খারাপ, কি জানি এক অশান্তি কলিজার ভেতরে আইলসা বইসা আছে। আইজকার এই গুমট দুপুরে বইসা নিজের দিকে তাকাইয়া মনে হইতেছে—আমি মাহমুদ হোসেন লিটন, নিজের হাতেই নিজের সর্বনাশটা করলাম! কিসের পিছে ছুটলাম রে ভাই? এই মিছে মরীচিকার পিছে ছুটতে গিয়া নিজেরে তিলে তিলে ধ্বংসের মুখে ঠেইলা দিলাম।

ছোট্ট একটা জীবন, এই জীবনের অনেক স্বপ্ন আছিল। কত কিছু করার আছিল, কত কিছু পাওয়ার আছিল। কিন্তু কী যেন এক মায়ার টানে, কী যেন এক অন্ধ মোহে আমি পথ হারাইলাম। মনে হইছে ওই মরীচিকার পরেই বোধহয় সব সুখ, সব শান্তি লুকায়া আছে। আর ওই সুখের আশায় আমি হিতাহিত জ্ঞান হারায়া ফেললাম। নিজের ভালো-মন্দ, নিজের চারপাশের মানুষগুলা—সবকিছুরে একবারে অবহেলা করলাম। যে সময়টা নিজের উন্নতির জন্য ব্যয় করার আছিল, যে সময়টা পরিবারের সাথে আনন্দ করার আছিল, সেই সোনালী দিনগুলা আমি নষ্ট করলাম শুধু একটা মিথ্যে চাকচিক্যের পিছে ছুটতে গিয়া।

এখন যখন পিছনে ফিরা তাকাই, দেখি কিছুই নাই। খালি হাতের তালুটা রিক্ত, আর বুকটা ভরা হাহাকার। মরীচিকা যেমন কাছে গেলে দূরে পলাইয়া যায়, আমার জীবনের অর্জনগুলাও ঠিক তেমনি হইছে। আমি ধরবার গেছি, আর ওগুলা ধোঁয়ার মতো মিলাইয়া গেছে। নিজেরে এখন মনে হয় এক্কেরে দিশেহারা এক পথিক, যে কিনা ভরা দুপুর রাইতে একলা পথ হাঁটতাছে, কিন্তু জানে না কোন দিকে গেলে গন্তব্য পাওয়া যাইবো।
আমার এই কষ্টের কথা কাউকে বোঝাবো, সেই মানুষটাও তো নাই। কারণ আমি নিজেই তো নিজেকে সবার থেকে দূরে সরাইয়া নিছি। ওই মিছে মোহের নেশায় আমি আপন মানুষগুলার আদর-যত্ন, শাসন-বারণ সব তুচ্ছ কইরা দিছি। এখন যখন একা বইসা নিজের ভুলগুলা নিয়া ভাবি, তখন মনে হয়—ইস! যদি সেদিন একটু বুঝতাম, যদি নিজেরে সামলাইতে পারতাম, তাহলে আজকের এই দিনটা হয়তো দেখতে হইতো না। নিজের বিবেক এখন নিজেরই দুশমন হইয়া দাঁড়াইছে। সারাদিন-সারারাত মনের ভেতরে কেবল একই প্রশ্ন—কেন আমি এমনটা করলাম?

মানুষ বলে, ভুল করাটা দোষের কিছু না, কিন্তু ভুলের ওপর ভুলের পাহাড় বানায়া ফেলাটা তো বোকামি। আমি সেই বোকামিটাই করছি। এই যে আজ মাহমুদ হোসেন লিটন নামটা নিয়া কথা কইতেছি, এই নামটার যে একটা ওজন আছিল, সেটা আমি নিজেই কমাইয়া ফেলছি। এখন আয়নার সামনে দাঁড়াইলে নিজের ছায়াডারেও অচেনা লাগে। আয়নার মানুষটা যেন আমার দিকে তাকাইয়া ঠাট্টা করে, যেন কয়—‘কই গেল তোর সেই অঢেল স্বপ্ন? কই গেল তোর সেই আস্ফালন?’

এখনও সময় আছে কি না জানি না, কিন্তু আমি এখন বুঝতে পারতেছি যে, যা হারাইছি তা আর কোনোদিন ফিরত পাবো না। মরীচিকার পিছে ছুটতে ছুটতে নিজের জমানো সব শক্তি শেষ হইয়া গেছে। এখন শুধু একটাই সান্ত্বনা, নিজের ভুলটা বুঝতে পারছি। এই যে অনুশোচনা, এই যে কষ্ট, এটাই হয়তো এখন আমার একমাত্র সাথী। আইজ থেইকা একটা শপথ নিলাম, এই মিছে মরীচিকা আর না, এখন থেকে নিজেকে নতুন করে গড়ার চেষ্টা করবো। যদিও জানি রাস্তাটা অনেক কঠিন, পাহাড়সম বাধা সামনে, তবুও এই ভগ্ন হৃদয় নিয়া আবার উঠে দাঁড়ানোর লড়াইটা শুরু করতে চাই।
**লেখক:** মাহমুদ হোসেন লিটন

28/09/2026

একসময় আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নের রাজপ্রাসাদ গড়ে তুলেছিলাম যাকে ঘিরে, আজ সেই রাজপ্রাসাদের ভগ্নস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে শুধু ধূসর ছাইটুকু হাতড়ে বেড়াচ্ছি। ভুলটা হয়তো আমারই ছিলো। যে স্বপ্নের কোনো মাটি ছিলো না, যার ওপর দাঁড়ানোর মতো শক্ত ভিত্তি ছিলো না, সেই আকাশকুসুম স্বপ্ন বুনেছিলাম দুচোখ ভরে। ভাবতাম, ভালোবাসা বুঝি পাহাড় চূর্ণ করে দিতে পারে, সময়কে থামিয়ে দিতে পারে। কিন্তু বাস্তবতা বড়ই নির্মম, বড়ই করুণ। আজ বুকের ভেতর জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস আর চোখের কোণে জমে থাকা শূন্যতা কেবল একটাই সত্য চিৎকার করে বলছে—স্বপ্ন দেখাটাই আমার জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল ছিলো।

যে নামটা একদিন হৃদয়ের প্রতিটি রক্তকণিকায়, প্রতিটি স্পন্দনে রক্ত দিয়ে লিখে রেখেছিলাম, আজ সেই নামটা ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে গেছে। অনেক সযতনে, বহু ভালোবাসার রঙে আঁকা সেই নামটি যেন বালুচরে লেখা কোনো নাম ছিলো, যা জোয়ারের এক ঝাপটাতেই মিলিয়ে গেল না-ফেরার দেশে। যে নামটি মনে করলে বুক জুড়ে শিউলি ফোটার আবহ তৈরি হতো, সেই নামটাই আজ বিষাক্ত এক কাঁটার মতো বিঁধে থাকে বুকের বাঁ পাশে। কত গভীর অনুভূতির বাঁধনে বেঁধেছিলাম তাকে! ভেবেছিলাম, পৃথিবীর সব আলো নিভে গেলেও এই নামটি হৃদয়ে প্রদীপের মতো জ্বলবে। কিন্তু অবহেলা, দূরত্ব আর নির্মম সময়ের ঘর্ষণে সেই নামও একদিন ঝাপসা হতে হতে শেষপর্যন্ত একদম মুছেই গেল। থেকে গেল শুধু খোদাই করে নাম মোছার গভীর এক ক্ষতচিহ্ন।

মাঝে মাঝে রাতে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে আসে, তখন বুকের ভেতরটা হু হু করে ওঠে। জানালা দিয়ে বাইরের অমাবস্যার অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে মনে হয়, ওই আঁধারটা তো বাইরে নয়, ওটা আমার ভেতরের শূন্যতা। যাকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যি বলে মনে হতো, তার চলে যাওয়া বা বদলে যাওয়াটা যে কতটা যন্ত্রণাদায়ক, তা কেবল সেই বোঝে যার সবটুকু ভুল মানুষের কাছে গচ্ছিত ছিলো। যে প্রতিশ্রুতিগুলো ছিলো ধ্রুবতারার মতো চিরন্তন, তা কীভাবে একমুহূর্তে মেঘের মতো উবে যায়, তার হিসাব মেলাতে গিয়ে মাথা কাজ করে না। এই শহরের প্রতিটি পথ, প্রতিটি বিকেল, নদীর পারের বাতাসের প্রতিটা ছোঁয়া আজ আমাকে উপহাস করে। মনে করিয়ে দেয়, এখানে একদিন দুটো মানুষের গল্প ছিলো, যেখানে একজন নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসেছিল, আর অন্যজন খুব সহজে সবকিছু ভুলে গেল।

সবচেয়ে বড় হতাশার বিষয় হলো—কাউকে কোনো দোষ দেওয়া যায় না। অন্ধ বিশ্বাসে আমি নিজেই যে নিজের ফাঁদ পেতেছিলাম! সে তো কখনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার গ্যারান্টি দেয়নি, আমিই তো নিজের কল্পনার ক্যানভাসে তাকে রূপকথার রাজপুত্র কিংবা রাজকন্যা হিসেবে সাজিয়েছিলাম। হৃদয়ের গভীর থেকে যাকে এত ভালোবাসলাম, দিনশেষে জানা গেল, আমার ভালোবাসার সেই মন্দিরটি নাকি একটি বালির ঘর বৈ আর কিছুই ছিলো না। যে নাম মুছে যাওয়ার ভয়ে সারাটা জীবন আতঙ্কে থাকতাম, আজ সেটা মুছে যাওয়ার পর দেখছি পৃথিবী ঠিকই নিজের নিয়মে ঘুরে চলছে। সূর্য ঠিকই উঠছে, মানুষ হাসছে, যার জন্য আমার জীবন থমকে গেল, সে-ও হয়তো এখন নতুন কোনো গল্প লিখে চলেছে অন্য কারও হৃদয়ে। শুধু আমি থমকে গেলাম এক অসীম শূন্যতায়।

এখন আর আলো ভালো লাগে না, স্বপ্নের গল্প শুনতে ইচ্ছে করে না। যখনই কেউ ভালোবাসার কথা বলে, এক অদ্ভুত তিক্ততায় ভরে ওঠে মন। ভুল শুধরে নেওয়ারও আর কোনো উপায় নেই, কারণ মোছা নামের স্মৃতিগুলোই এখন আমার নিত্যসঙ্গী। হৃদয় আজ একটা শ্মশানের মতো, যেখানে স্বপ্নের ছাই আর একসময়ের গভীর ভালোবাসার স্মৃতির কবর জমে আছে। এ এক নিঃশব্দ কান্না, যা দেখানোর মতো কেউ নেই, বোঝার মতোও কেউ নেই। নিজেকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে গেছে। শুধু এই আত্মোপলব্ধির তীব্র বিষে প্রতিদিন তিলে তিলে জ্বলে নিঃশেষ হওয়া—স্বপ্ন দেখাটা সতাই ভুল ছিলো, ভীষণ ভুল ছিলো।

লেখায় মাহমুদ হোসেন লিটন ✍️

28/09/2026

হাসবো না কাঁদবো গায়েস

27/09/2026

জীবন নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই আমার, বিশ্বাস করুন। অভিযোগ হচ্ছে, এই যে আমার সরলতা আর আবেগের প্রতি। এই দুটো জিনিস আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে! দিনের পর দিন ডিপ্রেশনে পড়ে থাকা, একের পর এক আঘাত, মানসিক ভাবে বারবার ভেঙ্গে দিচ্ছে! কোথাও যেতে পারছি না, কাঁদতেও পারছি না, মরতেও পারছি না।

কী করবো? নিজেকে কিছুটা হলেও ভালো রাখা যাবে ভেবে ব্যস্ততাকে আঁকড়ে ধরলাম। এখন ব্যস্ততাকে আঁকড়ে ধরে নিজের শান্তি টুকুও বিনষ্ট করে বসে আছি।

কাকে বোঝাবো, কাকে বলবো? কে শুনবে, কে বুঝবে? কোথাও কেউ নেই!

লেখায়ঃ মাহমুদ হোসেন লিটন ✍️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahmud Hosen Liton posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Club

Send a message to Mahmud Hosen Liton:

Shortcuts

Share